সোমবার
১৪ জুলাই ২০২৫
৫ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
৯ই রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি


সাফায়েত মেহেদি: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে অপপ্রচার ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের প্রতিবাদে মিরসরাইয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৪ জুলাই) উপজেলার খৈয়াছড়া ইউনিয়ন, মঘাদিয়া ইউনিয়ন ও মায়ানী ইউনিয়ন বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল সহ অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এই বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বি
ক্ষোভ মিছিল বড়তাকিয়া বাজার থেকে শুরু করে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ স্থান প্রদক্ষিণ করে। পরবর্তীতে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ হয়।
খৈইয়াছড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুজ্জামানের সভাপতিত্বে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক শাহ মো. ফোরকান উদ্দিন চৌধুরীর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব গাজী নিজাম উদ্দিন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলমগীর, মিরসরাই উপজেলা যুবদলের আহবায়ক কামাল উদ্দিন, মিরসরাই পৌর বিএনপির সদস্য সচিব জাহিদ হোসেন।
উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব গাজী নিজাম উদ্দিন বলেন, ‘ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বের কারণে ঢাকায় একজন ব্যবসায়ীকে হত্যা করা হয়েছে।
এরকম হত্যাকাণ্ড এর পূর্বেও ঘটেছিলো। এখন একটি গোষ্টি তারা ইসলামের লেবাসধারী যারা সেই ৪৭ সালে তাদের ভুল রাজনীতির কারণে আস্তাখুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছিলো; যারা ৭১ এ ভুল রাজনীতির কারণে এ দেশের জনগণ প্রত্যাখ্যান করেছিলো; যারা জাতির সাথে বেইমানি করে ৮৬ সালের নির্বাচনে আ’লীগের সাথে আঁতাত করে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিলো।
তারা ৯৬ সালে আওয়ামী লীগের সাথে একই মঞ্চে গিয়ে বিএনপির বিরুদ্ধে আন্দোলনে করেছিলো। যারা বিগত সময়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আঁচলের তলে থেকে দলকে সংগঠিত করেছিলো। সে লেবাসধারী দলটির নেতৃত্বে বলা হচ্ছে; সোহাগ ভাই খুন কেন- তারেক জিয়া জবাব চাই? তারেক জিয়া লন্ডনে; সোহাগ খুন হয়েছে ঢাকাতে। তারেক জিয়াকে কেন জবাবদিহি করতে হবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘বিগত ১৭ বছর আমরা ভোটের অধিকারের জন্য আন্দোলন করেছি। ৫ আগস্ট খুনি শেখ হাসিনাকে তার স্বামীর ঘরে পাঠিয়ে দিয়েছি। জনগণের মূল দাবী হচ্ছে এ সরকারের অধীনে সবার আগে জাতীয় সংসদ নির্বাচন দিতে হবে। কিন্তু ওই গোষ্ঠিটি চাই না এই মুহুর্ত্বে বাংলাদেশে নির্বাচন হোক।
তারা নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য একটি এজেন্টের সাথে হাত করে সারা দেশে পরিকল্পিতভাবে হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটাচ্ছে। তারা বুঝাতে চাচ্ছে এই মুহুর্ত্বে নির্বাচনের পরিবেশ নাই। একথাটা জনগণের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক মিডিয়ায়কে বুঝানোর জন্য নির্বাচন না হওয়ার জন্য যে নীল নকশা তা বাস্তবায়ন করার জন্য এই হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত হয়েছে।’
এসময় উপস্থিত ছিলেন, মিরসরাই উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি দিদারুল করিম মাস্টার, খৈইয়াছরা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আলম মোহাম্মদ, শাহাদাত মেম্বার, সালা উদ্দিন, ডা. শহিদ, মো. শহিদ, বিএনপি নেতা খাদেমুল ইসলাম মিলু, শোয়েব হাসান, খন্দকার তাজ উদ্দিন, মিরাজ, খৈইয়াছরা ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক জহির উদ্দিন সুমন, যুগ্ম আহবায়ক নিজাম উদ্দিন, আসলাম খান, নাজিম উদ্দিন, খৈইয়াছরা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক রফিক খান, সদস্য সচিব মির্জা আকবর, মঘাদিয়া ইউনিয়ন যুবদল নেতা সুমন, রিপন, স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা পলাশ, কাঈউম, কৃষক দল নেতা নুরুল করিম বাবলু, মিরসরাই উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক আরিফ মঈন উদ্দিন, মিরসরাই পৌরসভা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক ফরহাদ হোসেন তুহিন।