সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

বুধবার

০১ অক্টোবর ২০২৫

২৭শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১লা জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি

Logo

ঢাকা-চট্টগ্রাম-মহাসড়ক: থেমে থেমে গাড়ি, যাত্রীরা বিপাকে

চট্টগ্রাম জার্নাল ডেস্ক: শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে টানা চার দিনের সরকারি ছুটিকে কেন্দ্র করে রাজধানী ও আশপাশের গ্রামের পথে মানুষের ঢল নেমেছে। এতে প্রধান দুটি মহাসড়ক—ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেটে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

সাইনবোর্ড থেকে মেঘনা টোলপ্লাজা পর্যন্ত প্রায় ১৯ কিলোমিটার দীর্ঘ গাড়ির লাইন দেখা গেছে। একই সঙ্গে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বিভিন্ন অংশেও যানবাহন ধীরগতি ও থেমে থেমে চলার খবর পাওয়া গেছে।

কাঁচপুর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আব্দুল কাদের জিলানী জানান, ছুটি ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি গাড়ি সড়কে উপস্থিত হওয়ায় দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়েছে।

যাত্রীরা জানান, পূজার ছুটি শুরু হওয়ায় সবাই গ্রামের বাড়ি যেতে রওনা হয়েছেন। সাধারণ দিনে সাইনবোর্ড থেকে মেঘনা টোলপ্লাজা পর্যন্ত যেতে আধাঘণ্টা সময় লাগলেও আজ সেখানে পৌঁছাতে তিন থেকে চার ঘণ্টা লাগছে।

বাসযাত্রী তানিয়া আক্তার বলেন, “প্রতি বছর পূজার ছুটিতে আমরা গ্রামে যাই। কিন্তু এই বছরের যানজট এত ভয়াবহ যে, কখন পৌঁছাতে পারব সেটি নিয়েই দুশ্চিন্তায় আছি।”

শুধু চট্টগ্রামমুখী সড়ক নয়, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কেও একই চিত্র। ভৈরব, নরসিংদী ও আড়াইহাজার অংশে গাড়ি ধীর গতিতে চলছে। বাসযাত্রী সোহেল মিয়া জানান, “সাধারণত সিলেট যেতে ছয়-সাত ঘণ্টা লাগে। কিন্তু সকাল থেকে রওনা হওয়ার পরও আমরা এখনো নরসিংদী পার হতে পারিনি।”

ট্রাকচালক আমিনুল ইসলাম বলেন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকার ফলে জ্বালানি খরচ বেড়ে যাচ্ছে এবং মালিকদের চাপ সামলানো কঠিন হয়ে পড়েছে।

কাঁচপুর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আরও জানান, “ছুটির চাপ এবং বৈরী আবহাওয়ার কারণে স্বাভাবিক পরিস্থিতি বজায় রাখা কঠিন। আমরা বিভিন্ন পয়েন্টে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করেছি। তবে গাড়ির চাপ অনেক বেশি হওয়ায় যানজট নিয়ন্ত্রণে আনতে সময় লাগছে। একাধিক টিম কাজ করছে, আশা করছি দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।”