রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সোমবার

০৬ অক্টোবর ২০২৫

৫ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৯ই রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি

Logo

মেরি ব্রাঙ্কো, ফ্রেড র‌্যামসডেল ও শিমন সাকাগুচি নোবেলজয়ী

চট্টগ্রাম জার্নাল ডেস্ক: চলতি বছর চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে তিন বিজ্ঞানীকে। যুক্তরাষ্ট্রের মেরি ব্রাঙ্কো ও ফ্রেড র‌্যামসডেল এবং জাপানের শিমন সাকাগুচি এই সম্মান অর্জন করেছেন।

ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউটের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এদের গবেষণা পেরিফেরাল ইমিউন টলারেন্স নিয়ে। এটি ইমিউন সিস্টেমের এমন একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে শরীর নিজস্ব টিস্যু ও ক্ষতিকারক নয় এমন উপাদানের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত প্রতিরোধমূলক প্রতিক্রিয়া রোধ করতে পারে।

নোবেলজয়ীরা প্রত্যেকে একটি মেডেল, সনদপত্র এবং মোট ১ কোটি ১০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা (বাংলাদেশি প্রায় ১৪ কোটি ৬১ লাখ টাকা) পাবেন।

১৯৯৫ সালে শিমন সাকাগুচি প্রথমবারের মতো ‘রেগুলেটরি টি সেল’ আবিষ্কার করেন, যা শরীরকে অটোইমিউন রোগ থেকে রক্ষা করে। পরবর্তী বছরগুলোতে মেরি ব্রাঙ্কো ও ফ্রেড র‌্যামসডেল দেখান, বিশেষ ধরনের জিনের ত্রুটি অটোইমিউন রোগের কারণ হতে পারে।

২০০৩ সালে সাকাগুচি এ দুটি আবিষ্কারকে যুক্ত করে ‘পেরিফেরাল টলারেন্স’ ধারণা প্রতিষ্ঠা করেন। এই আবিষ্কার নতুন ধরনের অটোইমিউন ও ক্যানসার চিকিৎসা পদ্ধতির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

মেরি ব্রাঙ্কো প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন এবং বর্তমানে সিয়াটলের ইনস্টিটিউট ফর সিস্টেমস বায়োলজিতে সিনিয়র প্রোগ্রাম ম্যানেজার। ফ্রেড র‌্যামসডেল ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া থেকে পিএইচডি অর্জন করেন এবং সোনোমা বায়োথেরাপিউটিকসের বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা। শিমন সাকাগুচি এমডি ও পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন জাপানের কিয়োটো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এবং বর্তমানে ওসাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমিউনোলজি ফ্রন্টিয়ার রিসার্চ সেন্টারে ডিস্টিংগুইশড প্রফেসর।

এই আবিষ্কার ভবিষ্যতে অঙ্গ প্রতিস্থাপন আরও সফল করতে এবং নতুন চিকিৎসা পদ্ধতির উন্নয়নে সহায়ক হবে।