রবিবার
১৯ অক্টোবর ২০২৫
৬ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
১০ই রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি


চট্টগ্রাম জার্নাল ডেস্ক: রাজধানীর হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ১০০ কোটি টাকার বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে তৈরি পোশাক শিল্পের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ।
রোববার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে বিজিএমইএর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ইনামুল হক খানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যায়। প্রতিনিধিদলে সহসভাপতি মিজানুর রহমান, পরিচালক ফয়সাল সামাদসহ অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন। পরে নিট পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেমও ঘটনাস্থল ঘুরে দেখেন।
শনিবার সন্ধ্যায় লাগা আগুন ২৭ ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে আসে। এ সময় পোশাক, মূল্যবান কাঁচামাল ও রপ্তানির জন্য প্রস্তুত স্যাম্পল পণ্য পুড়ে যায়।
পরিদর্শন শেষে লিখিত বক্তব্যে ইনামুল হক খান বলেন, “সাধারণত উচ্চমূল্যের ও জরুরি শিপমেন্টের পণ্য আকাশপথে পাঠানো হয়। এই আগুনে পোশাকশিল্পের বড় ক্ষতি হয়েছে। এটি শুধু বর্তমান রপ্তানিকে নয়, ভবিষ্যতের ব্যবসায়িক সম্ভাবনাকেও হুমকির মুখে ফেলেছে।”
তিনি জানান, বিজিএমইএ ইতিমধ্যে ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে কাজ শুরু করেছে। সদস্যদের কাছ থেকে নির্ধারিত ফরমে ক্ষতিগ্রস্ত পণ্যের তালিকা চাওয়া হয়েছে এবং দ্রুত তথ্য সংগ্রহের জন্য একটি অনলাইন পোর্টালও চালু করা হয়েছে।
বিজিএমইএর পরিচালক ফয়সাল সামাদ বলেন, “আমরা ভেতরে গিয়ে ভয়াবহ দৃশ্য দেখেছি। পুরো ইমপোর্ট সেকশন পুড়ে গেছে। আমাদের অনুমান, ক্ষতির পরিমাণ ১ বিলিয়ন (১০০ কোটি) টাকারও বেশি হতে পারে।”
তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থলে বাণিজ্য উপদেষ্টা উপস্থিত ছিলেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে আমদানি কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে আশ্বাস দিয়েছেন। আপাতত টার্মিনাল–৩ এ নতুন স্থানে আমদানি পণ্য রাখার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এছাড়া ৭২ ঘণ্টার পরিবর্তে ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে দ্রুত পণ্য খালাসের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ফয়সাল সামাদ বলেন, “কাস্টমসের সঙ্গে যৌথভাবে একটি ওয়ার্কিং কমিটি করা হচ্ছে। এখন থেকে শুক্র–শনিবারও কাজ চলবে। ব্যবসার স্বার্থে কোনো ছুটি থাকবে না।”