সোমবার
২০ অক্টোবর ২০২৫
৭ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
১১ই রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি


স্টাফ রিপোর্টার: নোয়াখালীর কাশেমবাজার জামে মসজিদে ছাত্রশিবির আয়োজিত কুরআন প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে ছাত্রদল ও যুবদলের হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম মহানগর শাখা।
সোমবার বিকেলে নগরীর মুরাদপুর থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে দুই নম্বর গেটে গিয়ে সমাবেশে রূপ নেয়। এতে অংশ নেন মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ শাখার নেতাকর্মীরা।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম মহানগর উত্তরের সভাপতি তানজির হোসেন জুয়েল। সঞ্চালনা করেন মহানগর উত্তরের সেক্রেটারি মুমিনুল হক। উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মোহাম্মদ আলী এবং মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি মাইমুনুল ইসলাম মামুন।
বক্তব্যে তানজির হোসেন জুয়েল বলেন, “কুরআনের প্রোগ্রামে হামলা কোনো নতুন ঘটনা নয়। ইতিহাসে দেখা গেছে, ইসলামবিরোধী শক্তিগুলো সব সময়ই কুরআন ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে। আজ সেই ধারাবাহিকতায় নতুন মুখোশে একই অপকর্ম করা হচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, “মসজিদ কোনো ব্যক্তি বা দলের সম্পত্তি নয়। কুরআন ও হাদিস শেখা, প্রচার করা প্রতিটি মুসলমানের অধিকার। এ অধিকার রক্ষায় আমরা সর্বস্তরে প্রতিরোধ গড়ে তুলবো।”
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি মোহাম্মদ আলী বলেন, “নোয়াখালীর হামলায় আমাদের ভাইদের রক্ত ঝরানো হয়েছে। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন স্থানে আমাদের বোনদের ধর্মীয় আয়োজনেও হামলা চালানো হচ্ছে। এসব সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের কারণে ছাত্র সমাজ আজ বিএনপি-ছাত্রদলের কাছ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। দেশের প্রতিটি শিক্ষাঙ্গনে তারা প্রত্যাখ্যাত।”
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “সন্ত্রাস যে রূপেই আসুক, শিবির তা প্রতিহত করবে। ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে আমরা ঐক্যবদ্ধ।”
সমাবেশ শেষে নোয়াখালীর ঘটনার নিন্দা জানিয়ে দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করে সংগঠনটি। শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয় বিক্ষোভ সমাবেশ।