রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বুধবার

২৯ অক্টোবর ২০২৫

৫ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৯ই রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি

Logo

গাজায় ইসরাইলি হামলায় নিহত ১৮ — যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ হামাসের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরাইলের বিমান ও স্থল হামলায় অন্তত ১৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু নতুন করে হামলার নির্দেশ দেওয়ার পর মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) রাত থেকে বুধবার ভোর পর্যন্ত গাজার বিভিন্ন স্থানে একের পর এক হামলার ঘটনা ঘটে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানিয়েছে, মঙ্গলবার রাফাহ এলাকায় বন্দুক হামলায় এক ইসরাইলি সেনা আহত হওয়ার পরই প্রতিশোধমূলক হামলার নির্দেশ দেন নেতানিয়াহু। এরপর গাজা সিটির উত্তরাংশ, খান ইউনুস ও রাফাহ এলাকায় ইসরাইলি বিমান ও ড্রোনের হামলায় অন্তত ১৮ জন নিহত হন।

এদিকে ফিলিস্তিনি সংগঠন হামাসের সশস্ত্র শাখা কাসাম ব্রিগেডস ইসরাইলের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছে। তারা জানিয়েছে, ইসরাইলের সর্বশেষ এই হামলা চুক্তির স্পষ্ট লঙ্ঘন এবং এর ফলে নিখোঁজ এক বন্দির লাশ হস্তান্তর প্রক্রিয়াও স্থগিত রাখা হয়েছে।

কাসাম ব্রিগেডস সতর্ক করে বলেছে, ইসরাইলের পক্ষ থেকে বড় ধরনের উস্কানি অব্যাহত থাকলে গাজায় লাশ উদ্ধারের কার্যক্রম ব্যাহত হবে এবং বাকি ১৩ জন জিম্মির লাশ উদ্ধারও বিলম্বিত হবে।

অন্যদিকে, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে.ডি. ভ্যান্স বলেছেন, “ছোটখাটো সংঘর্ষ হতে পারে, তবে যুদ্ধবিরতি এখনো টিকে আছে।” ওয়াশিংটন ডিসিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, “আমরা আশা করি ইসরাইল জবাব দেবে, কিন্তু শান্তি প্রক্রিয়া স্থিতিশীল থাকবে।”

গাজার সরকারি মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ইসরাইলের হামলায় অন্তত ৯৪ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। পাশাপাশি গাজায় জরুরি ত্রাণ প্রবেশও কঠোরভাবে সীমিত রাখা হচ্ছে।

হামাস এক বিবৃতিতে বলেছে, “আমরা চুক্তি মেনে চলছি, কিন্তু ইসরাইলের এই আগ্রাসন যুদ্ধবিরতির স্পষ্ট লঙ্ঘন।”

হামাস নেতা সুহাইল বলেন, “লাশ উদ্ধারে আমাদের বাধা দেওয়া হচ্ছে, এবং এই বিলম্বের দায় ইসরাইলেরই।”