রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শনিবার

০১ নভেম্বর ২০২৫

৫ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৯ই রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি

Logo

ভেনেজুয়েলায় সামরিক হামলার পরিকল্পনা নেই: ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে ভেনেজুয়েলার ভেতরে কোনো সামরিক হামলার পরিকল্পনা করছে না।

শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

এর আগে গত সপ্তাহে ট্রাম্পের মন্তব্যে ভেনেজুয়েলায় মাদকবিরোধী অভিযান সম্প্রসারণের ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছিল। তবে এবার তিনি স্পষ্ট করে জানান, “না, ভেনেজুয়েলায় হামলার কোনো পরিকল্পনা নেই।”

তবে তিনি ভবিষ্যতে এমন পদক্ষেপ পুরোপুরি নাকচ করেছেন কি না—সে বিষয়ে কোনো স্পষ্ট বক্তব্য দেননি।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র ক্যারিবীয় অঞ্চলে ব্যাপক সামরিক উপস্থিতি গড়ে তুলেছে। বর্তমানে সেখানে রয়েছে যুদ্ধবিমান, যুদ্ধজাহাজ ও হাজারো সেনা। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সেখানে যুক্ত হতে যাচ্ছে বিমানবাহী রণতরী ‘জেরাল্ড ফোর্ড’।

গত সপ্তাহে ট্রাম্প বলেছিলেন, মাদকবিরোধী অভিযানে এবার “স্থলভাগেও আঘাত হানবে” যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের দাবি, এ পর্যন্ত তাদের অভিযানে অন্তত ১৪টি নৌকা ধ্বংস ও ৬১ জন নিহত হয়েছে। ট্রাম্প নিজেই নিশ্চিত করেছিলেন যে, তিনি ভেনেজুয়েলায় সিআইএ-কে গোপন অভিযান চালানোর অনুমতি দিয়েছেন।

এদিকে রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম জানিয়েছেন, ট্রাম্প তাকে বলেছেন—এশিয়া সফর শেষে ফিরে এসে ভেনেজুয়েলা ও কলম্বিয়াকে ঘিরে সম্ভাব্য সামরিক অভিযান বিষয়ে আইনপ্রণেতাদের ব্রিফ করবেন।

একজন মার্কিন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, সেনাবাহিনী ইতোমধ্যে বেশ কিছু বিকল্প পরিকল্পনা দিয়েছে, যার মধ্যে ভেনেজুয়েলার সামরিক স্থাপনা ও রানওয়েতে হামলার প্রস্তাবও রয়েছে।

অন্যদিকে, বিরোধী দল ও মানবাধিকার সংস্থাগুলোর অভিযোগ—ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও সেনাবাহিনী মাদক চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত। তবে মাদুরো এসব অভিযোগ অস্বীকার করে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে তাকে ক্ষমতাচ্যুত করার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলেছেন।

গত আগস্টে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর মাদুরোর গ্রেপ্তারে তথ্য দিলে ৫০ মিলিয়ন ডলার পুরস্কার ঘোষণা করে, যা আগের তুলনায় দ্বিগুণ।

এদিকে মার্কিন বাহিনীর চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে কয়েকজন ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবি, এসব অভিযান আন্তর্জাতিক যুদ্ধ আইনের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।