মঙ্গলবার
০৬ জানুয়ারি ২০২৬
২০শে কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি


চট্টগ্রাম জার্নাল ডেস্ক: ব্যক্তিখাতের কারসাজির কারণেই বাসাবাড়িতে রান্নার কাজে ব্যবহৃত সিলিন্ডার গ্যাসের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকালে সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। এ সময় গ্যাসের দাম নিয়ে জ্বালানি সচিব ও বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যানের সঙ্গেও বৈঠক করেন তিনি।
উপদেষ্টা বলেন, দেশের এলপিজি বাজারের প্রায় ৯৮ শতাংশই ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণে। ফলে যেসব বেসরকারি কোম্পানি এলপিজি সিলিন্ডার বাজারজাত করে, তাদের ওপর মন্ত্রণালয়ের খুব বেশি নিয়ন্ত্রণ নেই।
তিনি আরও বলেন, “গত মাসের তুলনায় চলতি মাসে এলপিজি আমদানি বেশি হয়েছে। তাই সরবরাহ ঘাটতির কোনো কারণ নেই।”
দাম বৃদ্ধির প্রসঙ্গে মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেন, এলপিজি আমদানিকারকরা বিইআরসি কর্তৃক দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্তের সুযোগ নিতে চেয়েছে। বিইআরসি ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৫৩ টাকা বাড়িয়েছে—এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে অনেকেই অস্বাভাবিকভাবে দাম বাড়িয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন, “কারসাজি করেছে মূলত হোলসেলার ও রিটেইলাররা।”
কারসাজির বিরুদ্ধে সরকার ব্যবস্থা নিচ্ছে জানিয়ে জ্বালানি উপদেষ্টা বলেন, জেলা প্রশাসন ও পুলিশের মাধ্যমে বাজার তদারকি জোরদার করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি বিইআরসি ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৫৩ টাকা বাড়িয়ে এক হাজার ৩০৬ টাকা নির্ধারণ করে। তবে খুচরা বাজারে সরকার নির্ধারিত দামে গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না—এমন অভিযোগও রয়েছে।