রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বুধবার

২৯ এপ্রিল ২০২৬

৫ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৯ই রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি

Logo

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি সংসদে আনার দাবি রুমিন ফারহানার

চট্টগ্রাম জার্নাল ডেস্ক: অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত বাণিজ্য চুক্তি সংসদ অধিবেশনে আলোচনার দাবি জানিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা

বুধবার স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এ দাবি জানান।

রুমিন ফারহানা বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া ওই চুক্তিতে বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী কিছু ধারা রয়েছে বলে আগে থেকেই আপত্তি উঠেছিল। সরকার চাইলে ৬০ দিনের মধ্যে চুক্তিটি বাতিল করার সুযোগও রয়েছে।

তিনি জানান, সম্প্রতি মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বৈঠকে বিষয়টি আবারও আলোচনায় আসে। বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি, কৃষি ও জ্বালানি পণ্য আমদানি, ব্যবসার পরিবেশ উন্নয়ন এবং বিনিয়োগ আকর্ষণে নীতি সংস্কারের বিষয়গুলো উঠে আসে।

রুমিন ফারহানা বলেন, “বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে যত পণ্য রপ্তানি হয়, তার তুলনায় আমদানি কম হওয়ায় বড় ধরনের বাণিজ্য ঘাটতি তৈরি হয়েছে। এই ঘাটতি কমানোর লক্ষ্যেই চুক্তিটি করা হয়েছে।”

চুক্তি স্বাক্ষরের সময় নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তার ভাষ্য, জাতীয় নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে, ৯ ফেব্রুয়ারি এই চুক্তি সই করা হয়, যা নিয়ে তখন সুশীল সমাজ ও বিভিন্ন মহলে সমালোচনা ছিল।

তিনি বলেন, “একটি অনির্বাচিত সরকারের এমন গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি করা উচিত ছিল না। নির্বাচিত সরকার আসার পর বিষয়টি হওয়া উচিত ছিল।”

এ সময় তিনি চুক্তিটি সংসদে উপস্থাপনের দাবি জানান। তবে তার বক্তব্যের একপর্যায়ে স্পিকার তাকে থামিয়ে দেন।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, এটি ‘পয়েন্ট অব অর্ডার’-এর আওতায় পড়ে না। তিনি সংসদ সদস্যকে বিষয়টি উত্থাপনের জন্য নোটিশ দেওয়ার পরামর্শ দেন।

এরপরও রুমিন ফারহানা সংক্ষিপ্ত সময় নিয়ে বলেন, “সরকার চাইলে ৬০ দিনের মধ্যে এই চুক্তি বাতিল করতে পারে। চুক্তিটি সংসদে আনা হোক।”

তবে স্পিকার জানান, বিষয়টি ‘অর্ডার’ হিসেবে গ্রহণ করা সম্ভব নয়।