রবিবার
০৩ মে ২০২৬
২১শে কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি


চট্টগ্রাম জার্নাল ডেস্ক: চার দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার (৩ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন-এ আনুষ্ঠানিকভাবে এ সম্মেলনের উদ্বোধন করা হয়।
এর আগে তিনি বাংলাদেশ সচিবালয়-এর নিজ দপ্তর থেকে হেঁটে অনুষ্ঠানে যোগ দেন। এসময় রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে সাধারণ মানুষ প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান এবং তিনিও হাত নেড়ে তাদের অভিবাদনের জবাব দেন।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ৩ থেকে ৬ মে পর্যন্ত চলবে এই সম্মেলন, যা আগেরবারের তুলনায় এক দিন বেশি। এবারের সম্মেলনে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের পক্ষ থেকে মোট ৪৯৮টি প্রস্তাব উত্থাপিত হবে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. হুমায়ুন কবির জানান, ভূমি ব্যবস্থাপনা, আইনশৃঙ্খলা উন্নয়ন, স্থানীয় সরকার কার্যক্রম জোরদার, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র্য বিমোচন, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার ও ই-গভর্ন্যান্স, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং অবকাঠামো উন্নয়নসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সম্মেলনে আলোচিত হবে।
সম্মেলন চলাকালে জেলা প্রশাসকরা বঙ্গভবন-এ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে, জাতীয় সংসদ ভবন-এ স্পিকারের সঙ্গে এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট-এ প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করবেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ও দুর্নীতি দমন কমিশন-এর সঙ্গে কার্য-অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে।
জানা গেছে, জেলা প্রশাসকদের পাঠানো মোট ১ হাজার ৭২৯টি প্রস্তাবের মধ্যে ৪৯৮টি কার্যপত্রে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এসব প্রস্তাবে জনসেবা ও স্বাস্থ্যসেবা বৃদ্ধি, জনদুর্ভোগ কমানো, সড়ক ও সেতু নির্মাণ, পর্যটন উন্নয়ন, আইন-বিধিমালা সংশোধন এবং জনস্বার্থ সংরক্ষণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ থেকেই সর্বোচ্চ ৪৪টি প্রস্তাব এসেছে।
ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে মোট ৩৪টি অধিবেশন হবে, যার মধ্যে ৩০টি কার্য-অধিবেশন এবং বাকি চারটি উদ্বোধনী, সৌজন্য সাক্ষাৎ ও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মুক্ত আলোচনাসহ অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
প্রশাসনের নীতি নির্ধারণ ও জনসেবার মানোন্নয়নে এ সম্মেলন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।