রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বৃহস্পতিবার

১৪ মে ২০২৬

৫ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৯ই রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি

Logo

নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ টানতে আসছে নতুন নীতিমালা

চট্টগ্রাম জার্নাল ডেস্ক: বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে আগামী মাসের মধ্যেই বিনিয়োগবান্ধব নীতিমালা প্রণয়ন করতে যাচ্ছে সরকার বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

বৃহস্পতিবার সোনাগাজী ১৩০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পবিষয়ক ‘মার্কেট সাউন্ডিং ওয়ার্কশপে’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, সৌরশক্তি ব্যবসার প্রসার ও বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে বাস্তবসম্মত ও সহায়ক নীতি প্রণয়ন জরুরি। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীও সম্মতি দিয়েছেন।

তিনি জানান, সৌরশক্তি খাতকে সহজতর করতে সৌর সরঞ্জাম আমদানিতে কর ও শুল্ক কমানো বা প্রত্যাহারের বিষয়টি সরকার বিবেচনা করছে।

পাকিস্তানের উদাহরণ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, দেশটি সৌর সরঞ্জাম আমদানিতে প্রণোদনা দিয়ে ইতিবাচক ফল পেয়েছে। বাংলাদেশও একই ধরনের উদ্যোগ নিতে পারে। সরাসরি সৌর সরঞ্জাম আমদানি কিংবা বেসরকারি খাতকে শূন্য শুল্কে আমদানির সুযোগ দেওয়া হলে এ খাতে বড় ধরনের অগ্রগতি সম্ভব হবে।

তিনি আরও বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বাড়াতে অন্তত পাঁচ বছরের কর অবকাশ দেওয়া এবং আমদানিতে ন্যূনতম শুল্ক নির্ধারণ করা হলে উদ্যোক্তারা উৎসাহিত হবেন। রাজস্বের আগে বিনিয়োগকে গুরুত্ব দিতে হবে।

ঢাকাসহ বড় শহরগুলোর ভবনের ছাদ ব্যবহার করে নেট মিটারিং ব্যবস্থার আওতায় সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনেরও বড় সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, শুধু রাজধানীতেই এক হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব, যা জাতীয় গ্রিডের ওপর চাপ কমাতে সহায়ক হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দা ইসলাম অমিত বলেন, আমদানিনির্ভর জ্বালানির কারণে বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ বাড়ছে। এ ঝুঁকি কমাতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, সৌর ও অন্যান্য নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎ গ্রিডের স্থিতিশীলতা ও কার্যকর ব্যবস্থাপনাও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

ওয়ার্কশপে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন।