শনিবার
৩০ মে ২০২৬
৫ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
৯ই রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি


চট্টগ্রাম জার্নাল ডেস্ক: শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান–এর কর্মময় জীবন, দেশপ্রেম ও আদর্শ নতুন প্রজন্মের জন্য চিরকাল অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি এ কথা বলেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, শহীদ জিয়ার সাদাসিধে ও নির্মোহ জীবন, বলিষ্ঠ ব্যক্তিত্ব, প্রশ্নাতীত সততা এবং একজন বাস্তববাদী ও কর্মোদ্যমী রাষ্ট্রনায়কের পরিচয় জনগণের হৃদয়ে চিরজাগরূক থাকবে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, জিয়াউর রহমানের অগাধ দেশপ্রেম, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, ন্যায় ও সুবিচার প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা, স্বনির্ভর উন্নয়ন ভাবনা এবং জীবনাদর্শ নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে।
রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেন, ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে জিয়াউর রহমান নিহত হন। মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর সেনানায়ক, স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক এবং দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে জাতি তাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।
তিনি আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্নে স্বাধীনতার ঘোষণা এবং পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধের আহ্বান জাতিকে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করেছিল। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি ‘বীর উত্তম’ খেতাবে ভূষিত হন।
রাষ্ট্রপতির মতে, রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর জিয়াউর রহমান দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র, বাক-ব্যক্তি ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেন এবং বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের চেতনায় জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেন।
তিনি বলেন, দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, রপ্তানি সম্প্রসারণ, স্বনির্ভরতা অর্জন ও জনগণের জীবনমান উন্নয়নে জিয়াউর রহমান বিভিন্ন যুগান্তকারী কর্মসূচি গ্রহণ করেছিলেন। তার ঘোষিত ১৯ দফা কর্মসূচি ছিল একটি উৎপাদনমুখী ও আত্মনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার রূপরেখা।
বাণীতে রাষ্ট্রপতি আরও উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষায় জিয়াউর রহমান ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করেছিলেন এবং মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের শ্রমবাজার সম্প্রসারণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন।