বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

মঙ্গলবার

০৭ জুলাই ২০২৬

২০শে কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি

Logo

ডেটাবেইসে অনুপ্রবেশ থেকে প্রশ্নফাঁস—সবই এখন কঠোর শাস্তিযোগ্য

চট্টগ্রাম জার্নাল ডেস্ক:: পাবলিক পরীক্ষায় ডিজিটাল কারসাজি, পরীক্ষার ডেটাবেইসে অননুমোদিত প্রবেশ, হ্যাকিং, প্রশ্নফাঁস এবং নিষিদ্ধ ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশের মতো অপরাধে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রেখে ‘পাবলিক এক্সামিনেশনস অফেন্সেস (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) জাতীয় সংসদে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বিলটি পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করেন। পরে জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব নিষ্পত্তি শেষে কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়।

ডিজিটাল কারসাজির সংজ্ঞা যুক্ত

নতুন আইনে ‘ডিজিটাল ম্যানিপুলেশন’ বা ডিজিটাল কারসাজির সংজ্ঞা যুক্ত করা হয়েছে। এর আওতায় পরীক্ষার ডেটাবেইসে অননুমোদিত প্রবেশ, হ্যাকিং, তথ্য পরিবর্তন, সংশোধন, মুছে ফেলা বা গোপন করার মতো কর্মকাণ্ডকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে।

এসব অপরাধে দোষী প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

পরীক্ষাকেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ডিভাইসেও শাস্তি

বিলে বলা হয়েছে, অনুমতি ছাড়া নিষিদ্ধ ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্র বা পরীক্ষার হলে প্রবেশ কিংবা প্রবেশের চেষ্টা করলে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড হতে পারে।

এ ছাড়া পরীক্ষা পরিচালনা সংক্রান্ত কর্তৃপক্ষের বৈধ নির্দেশনা, বিধি বা নির্দেশ অমান্য করলেও একই ধরনের শাস্তির বিধান থাকবে।

প্রশ্নফাঁসেও নতুন বিধান

সংশোধিত আইনে প্রশ্নপত্র প্রকাশ, বিতরণ বা সংরক্ষণের ক্ষেত্রে ‘অনলাইন প্ল্যাটফর্ম’ শব্দটি যুক্ত করা হয়েছে। ফলে অনলাইনে প্রশ্নপত্র প্রকাশ, বিতরণ বা নিজের কাছে সংরক্ষণ করাও শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।

এ ছাড়া প্রশ্নপত্র ফাঁসের সর্বোচ্চ সাজা ১০ বছর থেকে কমিয়ে পাঁচ বছর করা হয়েছে।

নতুন ধারা

বিলে ‘সংগঠিত পরীক্ষা অপরাধ’ নামে একটি নতুন ধারা সংযোজন করা হয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যমান আইনের কয়েকটি ধারায় আগে থাকা ৭ থেকে ১০ বছরের কারাদণ্ডের পরিবর্তে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের বিধান নির্ধারণ করা হয়েছে।