রবিবার
২৬ জুলাই ২০২৬
৫ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
৯ই রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি


চট্টগ্রাম জার্নাল ডেস্ক:: রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ লক্ষ্যে শিগগিরই ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামালের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
রোববার (২৬ জুলাই) নির্বাচন কমিশনের অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আইনি ও সাংবিধানিক বিষয়গুলো পর্যালোচনা করা হয়।
ইসি সচিব আখতার আহমেদ জানান, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। প্রথা অনুযায়ী সিইসি ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। এজন্য আগামী দু-এক দিনের মধ্যে ইসি সচিবালয় থেকে বৈঠকের সময় চেয়ে চিঠি পাঠানো হবে।
সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার পর ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। সে অনুযায়ী আগামী ২২ অক্টোবরের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন গুরুতর অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে শুক্রবার পদত্যাগ করেন। এরপর সংবিধান অনুযায়ী নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
এ সময় ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের দায়িত্ব পালন করছেন। রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ এবং ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের দায়িত্ব গ্রহণ-সংক্রান্ত গেজেটও ইতোমধ্যে প্রকাশ করা হয়েছে।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সংসদ সদস্যদের গোপন ব্যালটের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয়। এ জন্য জাতীয় সংসদ সচিবালয় থেকে সংসদ সদস্যদের ভোটার তালিকা নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হবে। এরপর প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শেষে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবে ইসি।
এদিকে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান আশা প্রকাশ করেছেন, জাতীয় সংসদের আগামী অধিবেশনেই নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন। তিনি বলেন, সংবিধানের বিধান অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নির্বাচন সম্পন্ন করা হবে।
গাজী নজরুলের বিষয়ে সংসদের চিঠি পায়নি ইসি
জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কৃত সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের বিষয়ে এখনো জাতীয় সংসদ সচিবালয় থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক চিঠি পায়নি নির্বাচন কমিশন।
ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেন, দল থেকে বহিষ্কারের বিষয়ে জামায়াতের চিঠি পাওয়া গেলেও সংসদ সচিবালয় থেকে কোনো রেফারেন্স এখনও আসেনি।
এর আগে এক প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, কোনো রাজনৈতিক দল থেকে বহিষ্কার করা হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংসদ সদস্যের পদ শূন্য হয় না। তবে সংসদ সচিবালয় থেকে আনুষ্ঠানিক রেফারেন্স এলে আইন ও সংবিধান অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।