বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

সোমবার

২৭ জুলাই ২০২৬

২০শে কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি

Logo

হজ নিবন্ধন শুরু, ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে চূড়ান্ত নিবন্ধন

চট্টগ্রাম জার্নাল ডেস্ক:: ২০২৭ সালে পবিত্র হজ পালনে আগ্রহীদের জন্য প্রাথমিক নিবন্ধন কার্যক্রম আজ সোমবার (২৭ জুলাই) থেকে শুরু হচ্ছে। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ঘোষণা অনুযায়ী, এ কার্যক্রম চলবে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় ঘোষিত রোডম্যাপ অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ই-হজ সিস্টেমের মাধ্যমে সরকারি ও বেসরকারি—উভয় ব্যবস্থাপনায় প্রাথমিক নিবন্ধন করা যাবে।

হজে যেতে আগ্রহীদের প্রথমে ৩০ হাজার টাকা জমা দিয়ে প্রাক-নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। এরপর সাড়ে তিন লাখ টাকা জমা দিয়ে প্রাথমিক নিবন্ধন করতে হবে। প্রাথমিক নিবন্ধনকারীদের আগামী ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচিত হজ প্যাকেজের অবশিষ্ট অর্থ পরিশোধ করে চূড়ান্ত নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে।

সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে যেতে আগ্রহীরা ই-হজ সিস্টেমে নিজস্ব ইউজার আইডি তৈরি করে সরাসরি নিবন্ধন করতে পারবেন। এছাড়া ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, জেলা ও উপজেলা মডেল মসজিদ, বায়তুল মোকাররম কার্যালয় এবং ঢাকা হজ অফিস থেকেও নিবন্ধনের সুযোগ থাকবে।

সরকারি ব্যবস্থাপনায় নিবন্ধনের অর্থ সোনালী ব্যাংকের যেকোনো শাখায় ভাউচারের মাধ্যমে জমা দিতে হবে। অন্যদিকে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় সংশ্লিষ্ট হজ এজেন্সির নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবে অর্থ জমা দিতে হবে। এজেন্সির ব্যাংক হিসাবের তথ্য হজ পোর্টালে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির প্রোফাইলে পাওয়া যাবে।

হজযাত্রীর পাসপোর্টের মেয়াদ ২০২৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বৈধ থাকতে হবে। এছাড়া প্রাথমিক নিবন্ধনের সময় প্রশিক্ষণ ও টিকা গ্রহণের জেলা, হজের ধরন এবং পছন্দের হজ প্যাকেজ নির্বাচন করতে হবে।

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ১৫ বছরের কম বয়সী কেউ হজে যেতে পারবেন না। এছাড়া গুরুতর হৃদরোগ, ফুসফুস, লিভার বা কিডনি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি, স্নায়বিক বা মানসিক রোগী, ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তি এবং কেমোথেরাপি, বায়োলজিক্যাল থেরাপি বা রেডিওথেরাপি গ্রহণরত ক্যান্সার রোগীদের হজে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না।

এ ছাড়া যক্ষ্মা, হেমোরেজিক ফিভারসহ জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ সক্রিয় সংক্রামক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরাও হজে যেতে পারবেন না। একই সঙ্গে গর্ভাবস্থার শেষ দুই মাসে থাকা বা ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থায় থাকা নারীদেরও হজের জন্য ফিটনেস সনদ দেওয়া হবে না।