বৃহস্পতিবার
১৩ আগস্ট ২০২৬
৮ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি


চট্টগ্রাম জার্নাল ডেস্ক:: দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময়সীমা শেষ হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মোট তিনটি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে।
এর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পক্ষে একটি এবং জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট সমর্থিত লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদের পক্ষে দুটি মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেল ৪টায় নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য মোট তিনটি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে। এর মধ্যে একটি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এবং দুটি কর্নেল (অব.) অলি আহমদের পক্ষে।
বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মনোনয়নপত্রে প্রস্তাবক হিসেবে সই করেছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান এবং সমর্থক হিসেবে সই করেছেন স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।
অন্যদিকে, ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে কর্নেল (অব.) অলি আহমদের পক্ষে জমা দেওয়া প্রথম মনোনয়নপত্রে প্রস্তাবক হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান এবং সমর্থক হিসেবে এনসিপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল আমীন সই করেছেন।
আরেকটি মনোনয়নপত্রে প্রস্তাবক হিসেবে এনসিপির নারী শক্তির সদস্য সচিব মাহমুদা মিতু এবং সমর্থক হিসেবে জামায়াতের সংসদ সদস্য আবদুল বাতেন সই করেন।
ইসি জানিয়েছে, আগামী ১৬ আগস্ট সকাল ১০টা থেকে তিনটি মনোনয়নপত্রের যাচাই-বাছাই শুরু হবে। একই দিন বৈধ প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে। তফসিল অনুযায়ী, ১৮ আগস্ট প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময়। আগামী ২০ আগস্ট সংসদ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
এদিকে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রার্থী চূড়ান্ত করতে সচিবালয়ে বিএনপির উচ্চপর্যায়ের বৈঠক নিয়ে জামায়াত জোটের সমালোচনার জবাব দিয়েছে বিএনপি।
মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি ও সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।
চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি বলেন, সচিবালয়ে কোনো দলীয় বৈঠক হয়নি, নিজেদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। দলীয় সিদ্ধান্ত আগেই নেওয়া ছিল এবং দলের চেয়ারম্যান তা আগেই ঘোষণা করেছিলেন।
রুহুল কবির রিজভীও বলেন, সচিবালয়ের বৈঠকটি স্থায়ী কমিটির কোনো আনুষ্ঠানিক সভা ছিল না।
অন্যদিকে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে ‘নিয়ম রক্ষার নির্বাচন’ বলার সুযোগ নেই। বিরোধী দল নির্বাচন বয়কট না করে অংশগ্রহণ করছে—এটিই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য বলেও মন্তব্য করেন তিনি।