সোমবার
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১৩ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
১৭ই রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত নিরসন ও হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর এ অবস্থানের পর সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম আবারও বেড়েছে। সরবরাহ সংকটের আশঙ্কায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১ দশমিক ৭৪ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৬ দশমিক ১৪ ডলারে পৌঁছেছে। দিনের লেনদেনে এর দাম বেড়েছে ১ দশমিক ৮২ ডলার।
একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাজার আদর্শ ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দামও বেড়েছে। এদিন ডব্লিউটিআইয়ের দাম ১ দশমিক ২৩ শতাংশ বা ১ দশমিক ১৪ ডলার বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৩ দশমিক ৫৫ ডলারে দাঁড়ায়।
সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে উল্লেখযোগ্য ওঠানামা দেখা যাচ্ছে। সংঘাতের প্রভাবে গত বৃহস্পতিবার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৩ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৬ দশমিক ৬০ ডলারে ওঠে। দিনের একপর্যায়ে দাম ১০৮ ডলারের কাছাকাছিও পৌঁছায়।
তবে শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালুর বিষয়ে সম্ভাব্য আলোচনার খবর প্রকাশিত হলে বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফেরে। ওই দিন ব্রেন্ট ক্রুডের দাম কমে ১০৫ দশমিক ৭ ডলারে নেমে আসে। কিন্তু ট্রাম্পের সর্বশেষ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পর আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে তেলের দাম।
বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা তেলের বাজারে অস্থিরতার অন্যতম কারণ। বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন রুটগুলোর একটি এই প্রণালি দিয়ে স্বাভাবিক সময়ে বৈশ্বিক তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ থেকে এক-চতুর্থাংশ পরিবাহিত হয়।
ফলে এই প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হলে বিশ্ববাজারে তেল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম আরও অস্থির হয়ে উঠতে পারে বলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।