বুধবার
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
৬ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
১০ই রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি


চট্টগ্রাম জার্নাল ডেস্ক: পোস্টাল ব্যালট পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে ব্যালট নষ্ট হওয়া। বিশ্বব্যাপী এ পদ্ধতিতে প্রবাসী ভোট নষ্ট হওয়ার হার ২৪ শতাংশের বেশি। অর্থাৎ, প্রতি চারটি ব্যালটের একটি সময়মতো ভোটারের কাছে পৌঁছায় না।
বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন ভবনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে অনলাইনে মতবিনিময় সভায় এসব তথ্য তুলে ধরেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
তিনি বলেন, দেড় কোটির বেশি প্রবাসীর আগ্রহের কারণে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। “প্রবাসে বসবাসকারী বাংলাদেশির সংখ্যা প্রায় ১৪ থেকে ১৫ মিলিয়ন। এত বড় জনগোষ্ঠীকে বাদ দিয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন সম্ভব নয়। তাই যেকোনো স্কেলেই হোক, আমাদের শুরু করতে হবে। হয়তো প্রত্যাশা সীমিত রাখতে হবে, তবে ব্যর্থ হবো না।”
ইসি সানাউল্লাহ জানান, প্রবাসী ভোট নিয়ে প্রতিবেশী দেশগুলোর অভিজ্ঞতাও আশানুরূপ নয়। ভারতের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, গত লোকসভা নির্বাচনে প্রায় চার কোটি প্রবাসী ভোটারের মধ্যে নিবন্ধন করেছিলেন মাত্র ১ লাখ ১৯ হাজার এবং ভোট দিয়েছেন মাত্র দুই হাজার ৯০০ জন। পাকিস্তান আজও সেভাবে বাস্তবায়ন করতে পারেনি, শ্রীলঙ্কাও কেবল ট্রায়াল চালাচ্ছে।
মালয়েশিয়ার উদাহরণও দেন তিনি। দেশটিতে প্রায় ১৮ লাখ প্রবাসী থাকলেও সর্বশেষ নির্বাচনে নিবন্ধন করেছিলেন মাত্র ৫৪ হাজার। কারণ, সেখানে ভোট নিবন্ধন ও ব্যয়ের দায়িত্ব ব্যক্তিগত ভোটারের ওপর থাকে, রাষ্ট্র এ খরচ বহন করে না।
সানাউল্লাহ বলেন, “গ্লোবাল ওয়েস্টেজ রেট ২৪ শতাংশ। প্রতি চারটি পোস্টাল ব্যালটের একটি দেশে এসে পৌঁছায় না। এর অন্যতম কারণ ভোটাররা ঠিকানা সঠিকভাবে না দেওয়া। আবার অনেকে ডাক পেলেও সময়মতো ভোট পাঠান না। এতে তা গণনার মধ্যে আসে না।”
তিনি বলেন, চ্যালেঞ্জ অনেক হলেও ধীরে ধীরে প্রবাসীরা এ প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত হবেন বলে আশা করছে নির্বাচন কমিশন।