সোমবার
১০ নভেম্বর ২০২৫
৬ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
১০ই রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি


কাপ্তাইয়ের চন্দ্রঘোনায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত কাগজ তৈরি প্রতিষ্ঠান কর্ণফুলী পেপার মিলস।
অনলাইন ডেস্ক : আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্যালট ছাপানোর জন্য ৯১৪.০০৯ মে. টন কাগজের অর্ডার পেয়েছে নির্বাচন কমিশনের।
ইতোমধ্যে সরবরাহ করা হয়েছে ১৭৮.০০৯ মে. টন কাগজ। অবশিষ্ট আরো ৭৩৬ মে. টন কাগজ ধাপে ধাপে উৎপাদন করে জানুয়ারি’২০২৬ এর মধ্যে সরবরাহ করা হবে বলে জানা গেছে।
সোমবার (১০ নভেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ শহীদ উল্লাহ্।
তিনি জানান, চলতি ২০২৫- ২০২৬ অর্থ বছরে নির্বাচন কমিশন থেকে রঙ্গিন (সবুজ,গোলাপী, এজুরলেইড) ও বাদামী সালফেট কাগজ মিলে সর্বমোট ৯১৪.০০৯ মে. টন কাগজের অর্ডার পাওয়া গেছে – যার বাজার মূল্য প্রায় ১১.১১ কোটি টাকা।
ইতোমধ্যে কাগজ সরবরাহের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। যথাসময়ের মধ্যে অর্ডারকৃত কাগজ সরবরাহ করা হবে।
তিনি আরো জানান, ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে কেপিএম এর কাগজ উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত হয় ৩৫০০ মে: টন। এ কাগজের মূল্যমান প্রায় ৪০- ৪৫ কোটি। চলতি বছরের ৯ অক্টোবর পর্যন্ত ১০৯৩ মে. টন কাগজ উৎপাদিত হয়েছে।
বর্তমানে কারখানার উৎপাদন চলমান রয়েছে। সরকারি নির্বাচন কমিশন, বাংলাদেশ স্টেশনারী অফিস (বিএসও), বিভিন্ন বোর্ড ও বিশ্ববিদ্যালয়, কিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে ইতোমধ্যে প্রায় ২ হাজার ৮শত ৯৪ মে: টন কাগজের সরবরাহ আদেশ পাওয়া গেছে – যার বাজার মূল্য প্রায় ৩৭.৩৩ কোটি টাকা। চলতি বছরের ৮ নভেম্বর পর্যন্ত কাগজ বিক্রি হয়েছে ৯২৩ মে. টন।
প্রসঙ্গত, ১৯৫৩ সালে ৬৮ একর জায়গার ওপর কারখানা এবং ৪৩১ একর আবাসিক জায়গা নিয়ে উপমহাদেশের বৃহত্তম কাগজ কল হিসেবে দেশে প্রথম যাত্রা শুরু করে কর্ণফুলী পেপার মিল। ৭০ বছরের পুরানো এই প্রতিষ্ঠানটি বয়সের ভারে নুয়ে পড়েছে। তবুও অব্যাহত রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির কাগজ উৎপাদন।
আগামীতে সরকারের সহযোগিতা পেলে এবং প্রতিষ্ঠানটির সার্বিক উন্নয়ন করা সম্ভব হলে আবারো পুরনো জৌলুস ফিরে পাবে কর্ণফুলী পেপার মিলস এমনটা প্রত্যাশা সকলের।