রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বৃহস্পতিবার

১১ ডিসেম্বর ২০২৫

৫ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৯ই রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি

Logo

তুচ্ছ ঘটনার জেরে সংঘর্ষ—মিরসরাইয়ে যুবক নিহত

সাফায়েত মেহেদি, মিরসরাই প্রতিনিধি:: চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে বিএনপির নেতা–কর্মীদের দুই পক্ষের সংঘর্ষে তাহামিদ উল্ল্যাহ (২৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) রাত ১২টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত তাহামিদ বারইয়ারহাট পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. আলমগীরের ছেলে। স্থানীয় কদমতলা দাখিল মাদ্রাসার নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী তিনি। পাশাপাশি বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন এবং নিরাপদ সড়ক চাই মিরসরাইয়ের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে সক্রিয় ছিলেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বুধবার বিকেলে বারইয়ারহাট পৌর বাজারের একটি দোকানে হিঙ্গুলী ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা জুবায়ের পা তুলে বসে ছিলেন। এসময় বারইয়ারহাট পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম লিটন দোকানে প্রবেশ করলে জুবায়ের পা নামিয়ে না বসায় লিটন তাকে লাথি মারেন।

এ নিয়ে বাকবিতণ্ডার পর উভয়েই নিজ নিজ এলাকা থেকে লোকজন নিয়ে আসে। পরবর্তীতে জামালপুর ও হিঙ্গুলী এলাকার বিএনপিকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে তাহামিদসহ ৮–১০ জন আহত হন।

আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে বারইয়ারহাট মেডিকেল সেন্টার, পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং অবস্থার অবনতি হলে চট্টগ্রাম মেডিকেলে প্রেরণ করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাহামিদ মারা যায়।

বারইয়ারহাট পৌরসভা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোহন দে বলেন, “লিটন ভাই ও জুবায়েরের ঝামেলা মিমাংসার জন্য আমরা কয়েকজন ট্রাফিক মোড়ে যাই। কথা বলতে বলতে লিটন ভাইয়ের লোকজন আমাদের ওপর হামলা করে। তাহামিদ কখন সেখানে এসেছে জানি না। সে আমাদের এলাকার ছেলে—তাকে উপর্যুপরি কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়।”

জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী নাজমুল হক বলেন, “জুনিয়র–সিনিয়র দ্বন্দ্বে বিএনপির একই গ্রুপের দুই পক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছে। মরদেহ চমেকে ময়নাতদন্তের জন্য রাখা হয়েছে। এখনো কোনো মামলা হয়নি।”