সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বৃহস্পতিবার

০১ জানুয়ারি ২০২৬

৬ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১০ই রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি

Logo

মায়ের অনুপস্থিতিতে পুরো বাংলাদেশই আমার পরিবার—তারেক রহমান

চট্টগ্রাম জার্নাল ডেস্ক: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, গভীর শোক ও কৃতজ্ঞতায় ভাস্বর হয়ে তিনি তার প্রিয় মা, জীবনের প্রথম শিক্ষক এবং তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে তার বাবা, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত করেছেন। তার অনুপস্থিতির শূন্যতা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।

বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক আবেগঘন পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, এই কঠিন সময়ে দেশের মানুষের অভূতপূর্ব উপস্থিতি তাকে একাকিত্বে ভুগতে দেয়নি। অগণিত নেতাকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী, পরিবার ও দেশবাসীর ভালোবাসা ও শ্রদ্ধায় তিনি গভীরভাবে আবেগাপ্লুত।

তিনি বলেন, লক্ষ-লক্ষ মানুষ একসঙ্গে যেভাবে সম্মান জানিয়েছে, ভালোবাসা দিয়েছে এবং পাশে দাঁড়িয়েছে, তা আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে—বেগম খালেদা জিয়া শুধু তার মা ছিলেন না, বহু দিক থেকে তিনি ছিলেন সমগ্র জাতির মা।

দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের শীর্ষ প্রতিনিধি, বৈশ্বিক কূটনীতিক ও উন্নয়ন সহযোগীরা সশরীরে উপস্থিত থেকে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, যারা সমবেদনা প্রকাশ করেছেন, তাদের সবার প্রতি তিনি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছেন। তিনি বলেন, এই সহমর্মিতা তাদের হৃদয় গভীরভাবে স্পর্শ করেছে।

শোকের এই মুহূর্তে তিনি তার প্রাণপ্রিয় বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং ভাই আরাফাত রহমান কোকোকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তারেক রহমান বলেন, এত মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে তার মনে হচ্ছে, নিকটজন হারানোর শূন্যতা পেরিয়ে পুরো বাংলাদেশই যেন তার পরিবার হয়ে উঠেছে।

তিনি আরও বলেন, তার মা সারাজীবন নিরলসভাবে মানুষের সেবা করেছেন। আজ সেই দায়িত্ব ও উত্তরাধিকার তিনি গভীরভাবে অনুভব করছেন। একাগ্রতা ও দায়বদ্ধতার সঙ্গে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন—যেখানে তার মায়ের পথচলা থেমেছে, সেখানে তিনি সেই পথযাত্রা এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করবেন; সেই মানুষগুলোর জন্য, যাদের ভালোবাসা ও বিশ্বাস বেগম খালেদা জিয়াকে শেষ নিশ্বাস পর্যন্ত শক্তি ও প্রেরণা জুগিয়েছে।

পোস্টের শেষাংশে তারেক রহমান বলেন, আল্লাহ যেন তার মায়ের রুহকে শান্তি দান করেন এবং তিনি যে অসীম ভালোবাসা, ত্যাগ ও উদারতার উদাহরণ রেখে গেছেন, সেখান থেকেই সবাই যেন শক্তি, ঐক্য ও দেশপ্রেমের অনুপ্রেরণা খুঁজে পান।