বৃহস্পতিবার
০৮ জানুয়ারি ২০২৬
২১শে কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি


চট্টগ্রাম জার্নাল ডেস্ক: নতুন করে ১৩৫টি ওষুধকে ‘অত্যাবশ্যকীয়’ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে মোট ২৯৫টি ওষুধের বিক্রয়মূল্য নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই সিদ্ধান্ত দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানান প্রধান উপদেষ্টার স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী মো. সায়েদুর রহমান।
বিকেলে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, দেশের সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ও ওষুধ প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে এসব অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ সরকার নির্ধারিত দামে বিক্রি করতে হবে। তবে এ ক্ষেত্রে ওষুধ উৎপাদনকারী ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে পর্যায়ক্রমে নির্ধারিত দামে আসার জন্য সময় দেওয়া হবে।
তিনি জানান, আগের তালিকার তুলনায় এবারের তালিকায় নতুন করে ১৩৫ থেকে ১৩৬টি ওষুধ অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। উপদেষ্টা পরিষদের সভায় আরও এক–দুটি ওষুধ অন্তর্ভুক্তির প্রস্তাব আসায় মোট সংখ্যা ২৯৫ বা ২৯৬ হতে পারে।
দাম নির্ধারণ প্রসঙ্গে মো. সায়েদুর রহমান বলেন, অত্যাবশ্যকীয় তালিকাভুক্ত সব ওষুধের দাম সরকার কর্তৃক নির্ধারিত হবে। যারা বর্তমানে নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করছে, তাদের পর্যায়ক্রমে সেই দামে নেমে আসতে হবে। এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সর্বোচ্চ চার বছর সময় দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, প্রতিবছর ধাপে ধাপে দাম কমিয়ে চার বছরের মধ্যে সরকার নির্ধারিত মূল্যে পৌঁছাতে হবে।
মো. সায়েদুর রহমান উল্লেখ করেন, অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের এই তালিকা সাধারণ মানুষের প্রায় ৮০ শতাংশ রোগব্যাধির চিকিৎসার জন্য যথেষ্ট। ফলে এসব ওষুধের মূল্য নিয়ন্ত্রণ সরাসরি দেশের অধিকাংশ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় ও ওষুধ প্রাপ্যতার ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
তিনি এ সিদ্ধান্তকে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ বলে মন্তব্য করেন।