বুধবার
১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
২০শে কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি


চট্টগ্রাম জার্নাল ডেস্ক: শিক্ষাখাতকে স্থিতিশীল ও গতিশীল করতে শুধু ছোটখাটো পরিবর্তন নয়, বরং বড় পরিসরের সংস্কার ও অগ্রগতি প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন নতুন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে প্রথম কর্মদিবসে সাংবাদিকদের সঙ্গে ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “এডুকেশন সেক্টরে এখন শুধু জাম্প না, অনেক বড় বড় জাম্প দিতে হবে। এটাই আমি বিশ্বাস করি, সেভাবেই কাজ করবো।” তিনি উল্লেখ করেন, ২০০১ সালে বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর নকল ও প্রশ্নপত্র ফাঁস বন্ধ হয়েছিল এবং ভবিষ্যতেও এসব অনিয়মের পুনরাবৃত্তি হবে না বলে তিনি আশাবাদী।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষাব্যবস্থাকে যুগোপযোগী ও বিশ্বমানের করতে সমন্বিত সংস্কার উদ্যোগ নেওয়া হবে। কারিকুলাম পর্যালোচনার পাশাপাশি ডিজিটাল লিটারেসি ও ইংরেজি দক্ষতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। একই সঙ্গে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চাহিদা অনুযায়ী ন্যানো টেকনোলজি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও রোবটিক্স শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, পিছিয়ে পড়া বা ব্যাকডেটেড শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে এগোনো সম্ভব নয়। বিশ্ব এখন গ্লোবাল ভিলেজ—আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। এজন্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে রূপান্তর ও প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক কারিকুলাম প্রণয়ন করা হবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অতীতের দায়ভার বর্তমান সরকার নেবে না। তার সময়ে কোনো দুর্নীতি হয়নি এবং ভবিষ্যতেও হবে না বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এমপিওভুক্তি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সংক্রান্ত অভিযোগ খতিয়ে দেখে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত জানানো হবে বলেও জানান তিনি।
বেসরকারি শিক্ষকদের কম বেতন ও সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সরকার বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আছে এবং সময়মতো এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।