রবিবার
১৫ মার্চ ২০২৬
৫ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
৯ই রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি


ক্রীড়া প্রতিবেদক:: সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ওয়ানডে ম্যাচে ২৯১ রানের লক্ষ্য দিয়েও শুরুতে চাপে পড়ে যায় পাকিস্তান। তবে শেষ পর্যন্ত রোমাঞ্চকর লড়াই শেষে ১১ রানে জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ। এই জয়ে ২–১ ব্যবধানে সিরিজও নিজেদের করে নেয় বাংলাদেশ দল।
এর মাধ্যমে ওয়ানডেতে পাকিস্তানের বিপক্ষে টানা সিরিজ জয়ের নজির গড়ল বাংলাদেশ। এর আগে ২০১৫ সালে দুই দলের দ্বিপাক্ষিক সিরিজে পাকিস্তানকে ৩–০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ করেছিল বাংলাদেশ।
মিরপুরের শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাট করতে পাঠান পাকিস্তানের অধিনায়ক শাহীন শাহ আফ্রিদি। ব্যাট করতে নেমে দারুণ সূচনা পায় বাংলাদেশ। উদ্বোধনী জুটিতে আসে ১০৫ রান।
ইনিংসের ১৯তম ওভারে আউট হওয়ার আগে ৫৫ বলে ৩৬ রান করেন সাইফ হাসান। এরপর নাজমুল হোসেন শান্ত ২৭ রান করে ফিরে গেলেও ইনিংস বড় করেন ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। তিনি ১০৭ বলে ১০৭ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন। তার ইনিংসে ছিল ৬টি চার ও ৭টি ছক্কা।
চতুর্থ উইকেটে লিটন কুমার দাস ও তাওহীদ হৃদয় ৬৮ রানের জুটি গড়ে দলকে বড় সংগ্রহের দিকে এগিয়ে নেন। লিটন দাস ৪১ রান করে আউট হন। শেষদিকে তাওহীদ হৃদয় ৪৪ বলে ৪৮ রান করে অপরাজিত থাকেন। নির্ধারিত ৫০ ওভারে বাংলাদেশ তোলে ২৯০ রান।
পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন হারিস রউফ। এছাড়া আবরার আহমেদ ও শাহীন শাহ আফ্রিদি একটি করে উইকেট নেন।
২৯১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় পাকিস্তান। তাসকিন আহমেদ ও নাহিদ রানার দুর্দান্ত বোলিংয়ে মাত্র ১৭ রানেই তিন উইকেট হারায় তারা।
তবে একপ্রান্ত আগলে রেখে লড়াই চালিয়ে যান সালমান আলি আগা। তাকে সঙ্গ দেন সাদ মাসুদ। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে মাসুদকে ৩৮ রানে আউট করেন মুস্তাফিজুর রহমান।
শেষদিকে লড়াই চালিয়ে গেলেও লক্ষ্য ছুঁতে পারেনি পাকিস্তান। বাংলাদেশের হয়ে চারটি উইকেট নিয়ে ম্যাচের নায়ক হন তাসকিন আহমেদ।
রোমাঞ্চকর এই জয়ে ২–১ ব্যবধানে সিরিজ জিতে নেয় বাংলাদেশ।