বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বৃহস্পতিবার

১৯ মার্চ ২০২৬

৮ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১২ই রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি

Logo

মির্জাখীল দরবারের অনুসরণে আগাম ঈদ—শতাধিক গ্রামে উৎসব

নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রামের সাতকানিয়া থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত—একই দিনে নয়, বরং আলাদা দিনেই ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে প্রস্তুত শতাধিক গ্রামের মানুষ।

মির্জাখীল দরবার শরীফের অনুসারীরা এবারও প্রচলিত জাতীয় সিদ্ধান্তের আগেই, শুক্রবার (২০ মার্চ) পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করছেন।

কেন ভিন্ন দিনে ঈদ?

এই অনুসারীরা দীর্ঘদিন ধরে হানাফি মাজহাবের একটি বিশেষ পদ্ধতি অনুসরণ করেন। তাদের মতে, পৃথিবীর যেকোনো স্থানে চাঁদ দেখা গেলে তা বিবেচনায় এনে ঈদের দিন নির্ধারণ করা যায়। প্রায় দুই শতাব্দী ধরে এই ধারা অব্যাহত রয়েছে।

কোথায় হচ্ছে ঈদের আয়োজন?

সাতকানিয়ার মির্জাখীল দরবার শরীফের খানকাহ মাঠে অনুষ্ঠিত হবে প্রধান জামাত। এতে ইমামতি করবেন দরবারের বর্তমান সাজ্জাদানশীন মৌলানা মুহাম্মদ মকছুদুর রহমান।

চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকা ছাড়াও কক্সবাজার, বান্দরবান, ফেনী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, সিলেট, বরিশালসহ দেশের নানা জেলার শতাধিক গ্রামে একই দিনে ঈদ উদযাপন করা হবে।

ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা

দরবারের অনুসারীরা বলেন, হজরত শাহ জাহাঙ্গীরের (রহ.) বংশধারা অনুসরণ করে এই প্রথা চলে আসছে। চাঁদ দেখার ক্ষেত্রে ভৌগোলিক অবস্থান, সময়ের ব্যবধান এবং আন্তর্জাতিক তথ্যকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

কী বলছেন দরবার কর্তৃপক্ষ?

দরবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে চাঁদ দেখার তথ্য, বিশেষ করে মক্কা-মদিনার খবর বিশ্লেষণ করেই তারা ঈদের দিন নির্ধারণ করেছেন।

ভিন্নতা, তবে উৎসব একই

দেশজুড়ে যখন ঈদ একদিন পর পালিত হবে, তখন এসব অঞ্চলে একদিন আগেই শুরু হবে আনন্দ। তবে লক্ষ্য একটাই—রোজার পর খুশি ভাগাভাগি করা।