বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রবিবার

৩১ মে ২০২৬

৮ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১২ই রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি

Logo

জনগণের প্রত্যাশা পূরণে দ্রুত বিচার হবে: আইনমন্ত্রী

চট্টগ্রাম জার্নাল ডেস্ক: রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার বিচার কার্যক্রম আগামীকাল সোমবার (১ জুন) শুরু হবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

রোববার (৩১ মে) সকালে ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে জেলা পরিষদের উন্নয়ন সহায়তার চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, “দেশের জনগণ এই মামলার বিচার প্রক্রিয়ার দিকে তাকিয়ে আছে। সরকার শুরু থেকেই ঘটনাটিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেছে এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।”

তিনি আরও বলেন, আদালতে উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।

মন্ত্রী জানান, সংবিধান সংশোধন কমিটিতে অংশগ্রহণের জন্য এখনো বিরোধী দল তাদের প্রতিনিধি বা সদস্যদের নাম জমা দেয়নি। সরকার সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে একটি গ্রহণযোগ্য ও কার্যকর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে আগ্রহী বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এছাড়া মানবাধিকার কমিশন আইন এবং গুম-সংক্রান্ত কমিশনের আইনগত কাঠামো নিয়ে বিভিন্ন মহল থেকে পাওয়া সুপারিশ সরকার গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করছে বলেও জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা এবং বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। পরে আইনমন্ত্রী বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য উপকারভোগীদের মাঝে জেলা পরিষদের অনুদানের চেক বিতরণ করেন।

উল্লেখ্য, গত ১৯ মে ঢাকার পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। পরে প্রতিবেশী সোহেল রানার বাসা থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

তদন্ত শেষে পুলিশ জানায়, স্কুলে যাওয়ার পথে রামিসাকে ফুসলিয়ে বাসায় নিয়ে ধর্ষণের পর হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্ত সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোহেল আদালতে অপরাধ স্বীকার করে জবানবন্দিও দিয়েছেন।

ঘটনাটি দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে এবং দ্রুত বিচারের দাবিতে বিভিন্ন স্থানে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।