বুধবার
১০ জুন ২০২৬
৫ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
৯ই রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি


চট্টগ্রাম জার্নাল ডেস্ক: আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিশ্বশান্তি, স্থিতিশীলতা ও মানবিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রম একটি অনন্য উদ্যোগ।
বুধবার (১০ জুন) দিবসটি উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি বিশ্বের সকল শান্তিরক্ষীর প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও গভীর শ্রদ্ধা জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংঘাত, সহিংসতা ও মানবিক সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলে শান্তি ফিরিয়ে আনতে শান্তিরক্ষীরা সাহস, ধৈর্য ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার মহান দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যেসব শান্তিরক্ষী আত্মত্যাগ করেছেন, তাদের প্রতি তিনি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
তিনি বলেন, আত্মোৎসর্গকারী শান্তিরক্ষীদের অবদান জাতির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। পাশাপাশি আহত ও ক্ষতিগ্রস্ত শান্তিরক্ষী এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের প্রতিও গভীর সমবেদনা জানান।
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। দেশের শান্তিরক্ষীরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পেশাদারিত্ব, দক্ষতা ও মানবিক মূল্যবোধের পরিচয় দিয়ে বাংলাদেশের সুনাম বৃদ্ধি করেছেন। তাদের দায়িত্বশীল ভূমিকা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করেছে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের নারী শান্তিরক্ষীরাও আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। দক্ষতা, নেতৃত্ব ও পেশাগত সক্ষমতার মাধ্যমে তারা বিশ্বব্যাপী প্রশংসা অর্জন করেছেন, যা নারীর ক্ষমতায়ন ও বাংলাদেশের অগ্রগতির উজ্জ্বল প্রতিচ্ছবি।
পারস্পরিক সম্মান, সহযোগিতা ও সহনশীলতার ভিত্তিতে একটি নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ বিশ্ব গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতেও বাংলাদেশ বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জাতিসংঘের উদ্যোগে সক্রিয় অংশগ্রহণ অব্যাহত রাখবে। শান্তি, মানবতা ও সম্প্রীতির মূল্যবোধ ধারণ করে উন্নত ও নিরাপদ পৃথিবী গঠনে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।