শুক্রবার
১২ জুন ২০২৬
৫ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
৯ই রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি


শাহরিয়ার মুনির জিসান : ঈদুল আজহার পর ঘোষিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটের তাৎক্ষণিক কোনো প্রভাব এখনো চট্টগ্রামের নিত্যপণ্যের বাজারে পড়েনি। নগরীর বিভিন্ন কাঁচাবাজারে সবজি, মাছ, মাংস, ডিম ও মুদি পণ্যের দাম মোটামুটি স্থিতিশীল রয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা।
শুক্রবার (১২ জুন) সকালে নগরীর কর্ণফুলী বাজার, রেয়াজউদ্দিন বাজার, বহদ্দারহাট কাঁচাবাজার, চকবাজার ও আগ্রাবাদ এলাকার বাজার ঘুরে দেখা যায়, বেশিরভাগ পণ্যের দাম ঈদের আগের পর্যায়েই রয়েছে। কোথাও কোথাও কিছু পণ্যের দাম সামান্য কমেছে।
ব্যবসায়ীরা জানান, এবারের বাজেটে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর নতুন করে কর বা শুল্ক বৃদ্ধির কোনো ঘোষণা না থাকায় বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়নি। বরং বেশ কয়েকটি নিত্যপণ্যে কর কমানোর প্রস্তাব বাজারকে স্থিতিশীল রাখতে সহায়তা করবে বলে তারা মনে করছেন।
বাজারে বর্তমানে ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা, সোনালি মুরগি ৩৪০ থেকে ৩৬০ টাকা এবং ডিম প্রতি ডজন ১৩০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া পেঁয়াজ ৪০ থেকে ৪৫ টাকা, দেশি রসুন ৮০ থেকে ১০০ টাকা, আমদানি করা রসুন ১২০ থেকে ১৪০ টাকা, আদা ১৪০ থেকে ১৮০ টাকা এবং আলু ২০ থেকে ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
বেশিরভাগ সবজি ৬০ টাকার মধ্যেই পাওয়া যাচ্ছে। বিক্রেতাদের ভাষ্য, ঈদের পর চাহিদা কিছুটা কম থাকলেও সরবরাহ স্বাভাবিক থাকায় বাজারে দাম বাড়েনি।
নগরীর একাধিক ক্রেতা জানান, অন্যান্য বছর বাজেট ঘোষণার পর অনেক পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকলেও এবার সেই পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে না। তবে বাজেটে বিভিন্ন পণ্যে কর কমানোর সুফল দ্রুত বাজারে প্রতিফলিত হলে সাধারণ মানুষ আরও স্বস্তি পাবে।
ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, পাইকারি পর্যায়ে দাম কমতে শুরু করলে খুচরা বাজারেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। পাশাপাশি বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে প্রশাসনের নিয়মিত তদারকি অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন তারা।