বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সোমবার

২২ জুন ২০২৬

৮ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১২ই রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি

Logo

ফুটপাত দখল ও নালা ভরাটে জলাবদ্ধতা, একশন মোডে সিডিএ চেয়ারম্যান

স্টাফ রিপোর্টার: নগরীর অক্সিজেন-কুয়াইশ সড়কে ফুটপাত ও পানি চলাচলের নালা দখল করে অবৈধভাবে দোকানপাট নির্মাণ করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন। একই সঙ্গে ফুটপাত ও নালা দখলমুক্ত করে পানি চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

সোমবার (২২ জুন) সকালে অক্সিজেন-কুয়াইশ সড়কের সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

সিডিএ চেয়ারম্যান বলেন, সড়কের দুই পাশের অনেক দোকানের সামনে ফুটপাত অবৈধভাবে দখল করা হয়েছে। কোথাও কোথাও নালার প্রবেশমুখ ময়লা-আবর্জনা, পলিথিন ও বিভিন্ন স্থাপনা দিয়ে বন্ধ করে রাখা হয়েছে। ফলে বৃষ্টির পানি নালায় প্রবাহিত হতে না পেরে সড়কে জমে থাকে এবং অল্প সময়েই রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

তিনি বলেন, “অপকর্ম করবে কিছু মানুষ, আর দায় দেওয়া হবে সিডিএকে। নালাগুলো সিডিএর কেউ এসে বন্ধ করেনি। যেখানে রাস্তার পানি নেমে যাওয়ার কথা, সেখানে পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এতে সড়ক নালার চেয়েও উঁচু হয়ে গেছে এবং জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে।”

বেলায়েত হোসেন জানান, ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ফুটপাত থেকে অবৈধ স্থাপনা অপসারণ, নালা উন্মুক্ত করা এবং পানি চলাচল স্বাভাবিক করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া দোকানের সামনে অবৈধভাবে রাখা ভ্যানগাড়ি ও অন্যান্য প্রতিবন্ধক সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে। নির্দেশনা অমান্য করলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করা হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, সিডিএর প্রকৌশলীরা পরিকল্পনা অনুযায়ী রাস্তা ও নালার নকশা তৈরি করেছেন। কিন্তু সেই নকশা অনুসরণ না করে নালা বন্ধ বা ফুটপাত দখল করলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হবেই। পরে এর দায় সিডিএর ওপর চাপানো হয়, যদিও বাস্তবে অনেক সমস্যাই মানুষের অসচেতনতার কারণে তৈরি হচ্ছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ী, বাসিন্দা ও শিক্ষার্থীদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে সিডিএ চেয়ারম্যান বলেন, দোকানের সামনে ময়লা-আবর্জনা, পলিথিন কিংবা বর্জ্য ফেলা যাবে না। নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের সামনের অংশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদেরই নিতে হবে।

পরিদর্শনকালে তিনি প্রধান প্রকৌশলী আহমেদ আনোয়ারুল নজরুল ও সচিব মাহবুবউল করিমকে দখল হয়ে যাওয়া নালার ঢালাই অপসারণ করে নালা উদ্ধার এবং প্রয়োজনীয় স্থানে নতুন স্ল্যাব স্থাপনের নির্দেশ দেন।

পাশাপাশি পরিবেশ দূষণ ও ময়লা-আবর্জনা ফেলার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ ও জরিমানা করার নির্দেশনাও দেন।