রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শনিবার

২৭ জুন ২০২৬

৫ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৯ই রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি

Logo

‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতিতেই বিদেশ সফর: প্রধানমন্ত্রী

চট্টগ্রাম জার্নাল ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, মালয়েশিয়া ও চীন সফরে তিনি দেশের মানুষের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বাংলাদেশের পক্ষে কথা বলেছেন এবং জাতীয় স্বার্থ রক্ষার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন।

শনিবার (২৭ জুন) জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশের মানুষ আমাদের দায়িত্ব দিয়েছে তাদের স্বার্থ রক্ষার জন্য। আমাদের দলের একটি স্লোগান রয়েছে—‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ বা ‘বাংলাদেশ প্রথম’। সেই নীতিকে সামনে রেখেই আমি দেশের ও দেশের মানুষের স্বার্থ নিয়ে কথা বলেছি এবং তা রক্ষার চেষ্টা করেছি।”

তিনি বলেন, বিদেশ সফরে অর্জিত যেকোনো সাফল্য কোনো ব্যক্তি বা সরকারের নয়, বরং পুরো বাংলাদেশের। “যদি কোনো অর্জন হয়ে থাকে, সেটি এ দেশের মানুষের অর্জন,”—যোগ করেন তিনি।

সংসদের সদস্যদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে সরকারকে সহযোগিতা করায় তিনি বিরোধীদলীয় নেতাসহ সব সংসদ সদস্যের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছেন।

এর আগে ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সরকার গঠনের চার মাসের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফরের মাধ্যমে দুই দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এ সফরের ভিত্তি ছিল পারস্পরিক সম্মান, পারস্পরিক স্বার্থ, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের নীতি।

বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান ধন্যবাদ প্রস্তাবের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলেন, স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি বাস্তবায়নে বিরোধী দল সরকারের পাশে থাকবে। একই সঙ্গে তিনি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক চুক্তিগুলো জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের আহ্বান জানান।

উল্লেখ্য, নতুন সরকার গঠনের পর এটিই ছিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফর। গত ২১ জুন তিনি মালয়েশিয়া সফর শুরু করেন। পরে চীন সফরে গিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন। সফর শেষে চীনের সঙ্গে ১৭টি সমঝোতা স্মারক এবং মালয়েশিয়ার সঙ্গে একটি সমঝোতা ও দুটি দলিল বিনিময় করে বাংলাদেশ।