শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শনিবার

০৪ জুলাই ২০২৬

৪ঠা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৮ই রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি

Logo

খামেনিকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে জনসমুদ্রে পরিণত তেহরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির প্রতি আজ (শনিবার) সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের আয়োজন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে রাজধানী তেহরানের ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লায় লাখো মানুষের সমাগম হবে বলে আশা করছে ইরান। দেশটির দাবি, উপস্থিতির দিক থেকে এটি ইরানের ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ শোকসমাবেশে পরিণত হতে পারে।

শনিবার (৪ জুলাই) দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা মেহের নিউজ এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভক্ত ও সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে স্থানীয় সময় সকাল ৬টা থেকে ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লা সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। তেহরান ছাড়াও দেশের বিভিন্ন শহর ও প্রদেশ থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষ সেখানে পৌঁছাতে শুরু করেছেন। অনেকেই রাত থেকেই অনুষ্ঠানস্থল ও আশপাশের এলাকায় অবস্থান নিয়ে অপেক্ষা করছেন।

এর আগে ইরান সরকার খামেনির দাফন উপলক্ষে সাত দিনব্যাপী রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি ঘোষণা করে। শুক্রবার (৩ জুলাই) থেকে শুরু হওয়া এ কর্মসূচিতে ইরান ও ইরাকের বিভিন্ন শহরে শোকানুষ্ঠান, শোভাযাত্রা এবং ধর্মীয় কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। এতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

৪ ও ৫ জুলাই তেহরানে সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য খামেনির মরদেহ পরিবারের কয়েকজন সদস্যের মরদেহসহ গ্র্যান্ড মোসাল্লায় রাখা হবে। বিশাল এই প্রার্থনাস্থলটি দীর্ঘদিন ধরে ইরানের রাষ্ট্রীয় ও ধর্মীয় আয়োজনের অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

পরবর্তী কর্মসূচি অনুযায়ী, ৬ ও ৭ জুলাই তেহরান থেকে প্রায় ১২০ কিলোমিটার দূরের কোম শহরে বিশাল শোকযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ৮ জুলাই মরদেহ নেওয়া হবে ইরাকের নজফ ও কারবালায়, যেখানে পৃথক শোকযাত্রা ও ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা অনুষ্ঠিত হবে।

সবশেষে ৯ জুলাই খামেনির মরদেহ আবার ইরানে ফিরিয়ে এনে মাশহাদে ইমাম রেজার মাজার প্রাঙ্গণে দাফন করা হবে। মাশহাদ খামেনির জন্মস্থান এবং তার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সঙ্গে জড়িত হওয়ায় সেখানে চূড়ান্ত দাফনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।