শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

বুধবার

২৬ আগস্ট ২০২৬

৮ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি

Logo

"সিরিকোটের সাজ্জাদানশীনের নেতৃত্বে চট্টগ্রামে শুরু হলো ৫৫তম জশনে জুলুস"

নিউজ ডেস্ক: চট্টগ্রামে লাখ লাখ আশেকে রাসূলের অংশগ্রহণে শুরু হয়েছে ঐতিহ্যবাহী ৫৫তম জশনে জুলুস। এবারের জুলুসে নেতৃত্ব দিচ্ছেন পাকিস্তানের দরবারে সিরিকোটের সাজ্জাদানশীন পীর আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ সাবির শাহ (ম.জি.আ.)। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন সাহেবজাদা সৈয়্যদ মুহাম্মদ কাসেম শাহ (ম.জি.আ.) ও শাহজাদা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আকিব আহমেদ শাহ (ম.জি.আ.)।

বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে জুলুস শুরুর আগে হুজুর কেবলা সাংবাদিকদের ব্রিফিং দেন এবং দোয়া-মোনাজাত করেন। সকাল পৌনে ১০টার দিকে তিনি খানকাহর সামনে বিশেষ গাড়িতে আসার পর শুরু হয় ঐতিহ্যের এই জুলুস।

ভক্তদের ঢল, নাত-দরুদের সুর

শিশু থেকে বৃদ্ধ—সব বয়সী মানুষ দলে দলে যোগ দিয়েছেন জুলুসে। অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে ধ্বনিত হচ্ছে কোরআন তেলাওয়াত, হামদ, নাত ও দরুদ। জুলুসের বাইরে ভবনের ছাদে, সড়কে ও ফুটপাতেও অপেক্ষমাণ ভক্তরা হুজুর কেবলাকে এক নজর দেখার জন্য দাঁড়িয়ে ছিলেন। হুজুর কেবলা হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান এবং মাঝে মাঝে মোনাজাত করেন, যাতে চারদিকে ধ্বনিত হয় আমিন আমিন রব।

পথের বিবরণ

ষোলশহরের জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া মাদরাসা থেকে শুরু হওয়া জুলুস মুরাদপুর, ২ নম্বর গেট, জিইসি, ওয়াসা ও লালখান বাজার হয়ে টাইগারপাস পর্যন্ত যাবে। এরপর একই পথে ফিরে আসবে জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া মাদরাসা মাঠে।

ভাসমান মেলা ও বিতরণ কার্যক্রম

মুরাদপুর থেকে জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া মাদরাসা পর্যন্ত বসেছে ভাসমান মেলা, যেখানে বিক্রি হচ্ছে আতর, টুপি, তসবিহ, মেসওয়াক, গামছা, তোয়ালে, পাজামা-পাঞ্জাবি, জুলুসের পতাকাসহ বিভিন্ন সামগ্রী। বিভিন্ন সংগঠন পথচারীদের মধ্যে পানি, শরবত ও খেজুর বিতরণ করছে।

উৎসবের সাজে নগরী

গুরুত্বপূর্ণ মোড়, সড়কদ্বীপ ও সড়ক বিভাজক সেজেছে বড় বড় তোরণ, আনজুমানের পতাকা, ফেস্টুন ও ব্যানারে।

নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি প্রায় ১০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক জুলুসের শৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করছেন। জুলুস চলাকালে লালখান বাজার-মুরাদপুর ফ্লাইওভার বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

চাইলে আমি এটিকে ছোট সংস্করণ, ব্রেকিং নিউজ ফরম্যাট, অথবা সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের জন্য সংক্ষিপ্ত আকারেও সাজিয়ে দিতে পারি।