সোমবার
০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৭ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি


চট্টগ্রাম জার্নাল ডেস্ক:: গেল ২০২৫-২৬ অর্থবছরে নতুন টাকা ছাপানোর পেছনে আগের বছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ অর্থ খরচ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে ব্যাংকনোট মুদ্রণ বাবদ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যয় দাঁড়িয়েছে ৪৫৮ কোটি ৯২ লাখ ৭৫ হাজার টাকায়, যা আগের অর্থবছরে ছিল ২৩৪ কোটি ৭৮ লাখ ৬৭ হাজার টাকা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে নোট ছাপানোর খরচ বেড়েছে ২২৪ কোটি ১৪ লাখ ৮ হাজার টাকা বা ৯৫ দশমিক ৪৬ শতাংশ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত সর্বশেষ অডিটরস রিপোর্ট ও অডিটেড ফাইন্যান্সিয়াল স্টেটমেন্টসে এই তথ্য সামনে এসেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বিগত পাঁচ অর্থবছরের মধ্যে ২০২৫-২৬ অর্থবছরেই নোট ছাপানোর পেছনে সর্বোচ্চ ব্যয় হয়েছে।
টাকা ছাপানোর খরচ লাফিয়ে বাড়ার পেছনে বৈশ্বিক সংকট, সরবরাহ ব্যবস্থার জটিলতা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধিকে প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান।
তিনি জানান, নোট মুদ্রণের জন্য প্রয়োজনীয় বিশেষায়িত কাগজ ও কালি আন্তর্জাতিক বাজার থেকে আমদানি করতে হয় এবং সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান সীমিত হওয়ায় দর-কষাকষির সুযোগ কম থাকে।
এদিকে ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি সংবলিত নোটের পরিবর্তে নতুন নকশার নোট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হলেও, নকশা পরিবর্তনের কারণে এই ব্যয় বাড়েনি বলে স্পষ্ট করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
একই সঙ্গে গত এক বছরে ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় হার প্রায় স্থিতিশীল ছিল এবং নতুন নোট ছাপানোর পরিমাণও ‘উল্লেখযোগ্য হারে’ বাড়েনি। মূলত বিশ্ববাজারে কাগজ ও কালির দাম বাড়ার কারণেই সার্বিক মুদ্রণ ব্যয় বেড়েছে।