বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

বুধবার

১৪ অক্টোবর ২০২৬

৩০শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৪ঠা জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি

Logo

মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও জনসচেতনতায় বিশেষ উদ্যোগ

নিউজ ডেস্ক: ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগের বিস্তার রোধে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) উদ্যোগে নগরীর ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বিশেষ ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিচালিত হয়েছে।

কর্মসূচির আওতায় ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করা, জমে থাকা পানি অপসারণ, নালা-নর্দমা ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

পাশাপাশি পরিত্যক্ত পাত্র, ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের বোতল, টায়ার ও অন্যান্য স্থানে জমে থাকা পানি অপসারণের মাধ্যমে এডিস মশার বংশবিস্তার রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের ওপর জোর দেওয়া হয়।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের পাশাপাশি মশক নিধন কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির বিষয়টিও এ ধরনের কর্মসূচির গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

বিশেষ করে বাড়ির ছাদ, ফুলের টব, পানির ট্যাংক, ড্রাম ও অব্যবহৃত পাত্রে জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার রাখার বিষয়ে নগরবাসীকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন শামীম মোহাম্মদ খাঁন, ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর সরফরাজ কাদের রাসেল, ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি আশরাফ উদ্দীন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান, মোহাং শরীফ, মোহাং পারুল, সুমন রহমান, মো. ইউসুফ সুমন, আকিব জাবেদ ও মো. ফোরকানসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু সিটি কর্পোরেশনের অভিযানই যথেষ্ট নয়; এ ক্ষেত্রে নাগরিকদের সচেতনতা ও সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত বাসাবাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার রাখা, কোথাও পানি জমতে না দেওয়া এবং মশার প্রজননস্থল দেখা গেলে তা দ্রুত অপসারণের মাধ্যমে ডেঙ্গুর ঝুঁকি কমানো সম্ভব।

৩৯ নম্বর ওয়ার্ডে এ ধরনের কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি কমাতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যায়।