সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মঙ্গলবার

১৪ মে ২০২৪

৬ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১০ই রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি

Logo

এমভি আবদুল্লাহর নাবিকেরা চট্টগ্রামে ফিরবেন আজ বিকেলে

নিজস্ব প্রতিবেদক*

সোমালিয়ার জলদস্যুদের হাত থেকে মুক্ত হওয়া জাহাজ এমভি আবদুল্লাহ ২৩ নাবিক নিয়ে অবশেষে দেশে পৌঁছেছে । সোমবার সন্ধ্যায় কুতুবদিয়া চ্যানেলে নোঙর করেছে জাহাজটি।

জাহাজের মালিকপক্ষ কবির গ্রুপের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সোমবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে কুতুবদিয়া চ্যানেলে নোঙর ফেলে পাথর বোঝাই জাহাজটি।

তবে জাহাজে থাকা নাবিকরা চট্টগ্রামে ফিরবেন  আজ মঙ্গলবার বিকেলে। এদিন বিকাল ৪ টায় এমভি জাহানমণি জাহাজ যোগে কক্সবাজারের কুতুবদিয়া থেকে চট্টগ্রাম বন্দরের নিউ মুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল-১ জেটিতে নিয়ে আসা হবে এই নাবিকদের। সেখানে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে নাবিকদের সংবর্ধনা প্রদান করা হবে বলে নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম বন্দর সচিব ওমর ফারুক।

এদিকে মঙ্গলবার কুতুবদিয়ায় থাকা এমভি আবদুল্লাহর দায়িত্ব নতুন ক্রুদের কাছে বুঝিয়ে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন কেএসআরএম-এর মিডিয়া উপদেষ্টা মিজানুল ইসলাম। এদিকে সন্ধ্যায় নোঙর করার পরই জাহাজটির ক্যাপ্টেন আব্দুর রশিদ এক অডিও বার্তায় জানান, তারা সবাই ভালো আছেন।

ক্যাপ্টেন আব্দুর রশিদ অডিও বার্তায় জানান, আমরা ঠিকভাবে নোঙ্গর করেছি, জাহাজের নাবিকেরা সবাই সুস্থ আছেন। আমি আমার সমস্ত অফিসার এবং ক্রু দের পক্ষ থেকে আপনাদের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই।

জিম্মি দশা থেকে মুক্ত হয়ে এমভি আবদুল্লাহ সোমালিয়া থেকে গত ২২ এপ্রিল দুবাইয়ের আল হামরিয়া বন্দরে ভেড়ে। সেখানে কয়লা খালাস শেষে ২৭ এপ্রিল মিনা সাকার বন্দরে যায় জাহাজটি।

ওই বন্দর থেকে ৫৬ হাজার টন চুনাপাথর বোঝাই করে রওনা দেয় চট্টগ্রামের উদ্দেশে। এদিন সকালেই বাংলাদেশের জলসীমায় পৌঁছে যায় জাহাজটি।

কুতুবদিয়ায় নোঙর ফেলেছে এমভি আবদুল্লাহকুতুবদিয়ায় নোঙর ফেলেছে এমভি আবদুল্লাহ

গত ১২ মার্চ জলদস্যুদের কবলে পড়ে এমভি আবদুল্লাহ। মোজাম্বিক থেকে কয়লা নিয়ে দুবাই যাওয়ার পথে সোমালিয়া উপকূলের ৬০০ নটিক্যাল মাইল দূরে অস্ত্রের মুখে জাহাজ ও ২৩ নাবিককে জিম্মি করে ফেলে জলদস্যুরা।

এরপর ৩৩ দিন কাটে নানা উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা ও গুঞ্জনের মধ্যে। গত ১৪ এপ্রিল মুক্তিপণ দিয়ে জিম্মিদশা থেকে মুক্ত হয় ২৩ নাবিকসহ জাহাজটি।

জিম্মিদ থেকে মুক্তি মেলার পর থেকেই ২৩ নাবিকের স্বজনেরা রয়েছেন আপনজনের ঘরে ফেরার অপেক্ষায়।