মঙ্গলবার
২৫ জুন ২০২৪
১০ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
১৪ই রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি


নিজস্ব প্রতিবেদক *

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) নির্বাহী পরিষদের বৈঠকে বাংলাদেশের অনুকূলে ঋণের তৃতীয় কিস্তির অর্থ ছাড়ের প্রস্তাবটি পাস হয়েছে।
সোমবার বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৯টায় যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে আইএমএফ’র সদর দপ্তরে এক বৈঠকে বাংলাদেশের অনুকূলে ঋণের তৃতীয় কিস্তির বাবদ এক দশমিক ১২ বিলিয়ন ডলার ছাড় করার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।
ওই অর্থ আগামী দুই দিনের মধ্যে এ অর্থ আইএমএফ থেকে ছাড় করে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়াশিংটনের হিসাবে স্থানান্তর করা হবে বলে জানা গেছে। আরও জানা যায়, এ অর্থ দেশের বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয় বা রিজার্ভে যোগ হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. মেজবাউল হক একটি সংবাদমাধ্যমকে জানান, আইএমএফের বোর্ড আমাদের ঋণের তৃতীয় কিস্তির অনুমোদন দিয়েছে। আমরা আশা করছি, আগামী দুই দিনের মধ্যে প্রায় ১১১ কোটি ৫০ লাখ ডলার রিলিজ হবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ওই অর্থ পেয়ে যাবে। তখন দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কিছুটা বেড়ে যাবে।
গত বছরের ৩১ জানুয়ারি আইএমএফ বাংলাদেশের অনুকূলে ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ প্রস্তাব অনুমোদন করে। এর মধ্যে দুটি কিস্তিতে ১১৬ কোটি ডলার ছাড় করা হয়েছে।
ঋণের চতুর্থ কিস্তির অর্থ ছাড়ের বিষয়ে চলতি বছরের নভেম্বরের শেষদিকে আরও একটি মিশন ঢাকায় আসতে পারে। ডিসেম্বরে ঋণের চতুর্থ কিস্তির অর্থ ছাড় হওয়ার কথা রয়েছে।
শর্ত অনুযায়ী, প্রতি কিস্তির অর্থ ছাড় করার আগেই আইএমএফ তাদের দেওয়া শর্ত ও অর্থনৈতিক সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা করবে। ঋণের তৃতীয় কিস্তির অর্থ ছাড়ের শর্ত বাস্তবায়ন করতে সুদের হার ও ডলারের দাম বাড়ানো হয়েছে। মূল্যস্ফীতির হার কমাতে সংকোচনমুখী মুদ্রানীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। জ্বালানি তেলের দাম আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করার পদ্ধতি সীমিত আকারে চালু করা হয়েছে। বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে।