বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

শনিবার

১১ অক্টোবর ২০২৫

৪ঠা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৩রা মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

Logo

নারীর অগ্রগতি, গণতন্ত্র ও সুশাসনের মূলমন্ত্র: মীর হেলাল

চট্টগ্রাম জার্নাল ডেস্ক: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চট্টগ্রাম বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেছেন, “নারীর ক্ষমতায়নের প্রথম যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।

তার নেতৃত্বে নারীদের জন্য কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও নেতৃত্বের সুযোগ তৈরি হয়, যা নারী জাগরণের ভিত্তি স্থাপন করেছে। আজ তার সুযোগ্য উত্তরসূরি, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, আগামীর বাংলাদেশে নারীদের সর্বোচ্চ মর্যাদা ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করবেন।”

শনিবার (১১ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় আয়োজিত “নারীর মর্যাদা সুরক্ষা ও ক্ষমতায়ন” শীর্ষক বিশাল মহিলা সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মীর হেলাল এসব কথা বলেন। সমাবেশটি অনুষ্ঠিত হয় দেশনায়ক তারেক রহমান ঘোষিত “রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফা” বাস্তবায়নের লক্ষ্যে।

তিনি বলেন, “বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রতিটি পরিবারের ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রধান মহিলার নামে থাকবে। নারীদের জন্য সহজ শর্তে ক্ষুদ্র ঋণ ব্যবস্থা করা হবে, যাতে তারা স্বাবলম্বী হয়ে পরিবার ও সমাজে নেতৃত্ব দিতে পারেন। আগামী বাংলাদেশে নারীরা শুধু অংশগ্রহণকারী নন, বরং নীতি নির্ধারক ও নেতৃত্বদাতা হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।”

মীর হেলাল আরও বলেন, “শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান আমাদের দিয়েছেন জাতীয়তাবাদের পরিচয়—এক অসাম্প্রদায়িক, ঐক্যবদ্ধ জাতি গঠনের আদর্শ। তারেক রহমান সেই ধারাবাহিকতায় দেশকে গণতান্ত্রিক ও জনগণের অধিকারভিত্তিক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলবেন।”

সমাবেশে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব লায়ন হেলাল উদ্দিন বলেন, “নারীদের বাদ দিয়ে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। আনোয়ারার প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে হাজারো মা-বোনের উপস্থিতি প্রমাণ করে নারীরাও আজ রাজপথের পরিবর্তনের নেতৃত্বে রয়েছে। আগামী ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ বিজয়ী হবে গণতন্ত্র, সুশাসন ও মানুষের অধিকার পুনরুদ্ধারের প্রতীক।”

মীর হেলাল ও লায়ন হেলাল উদ্দিন উভয়েই প্রাধান্য দিয়েছেন নারীর সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তাকে। তাদের মতে, বিএনপি সরকার গঠিত হলে স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।

সমাবেশে আনোয়ারা-কর্ণফুলী উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন, ওয়ার্ড ও গ্রাম থেকে হাজার হাজার নারী অংশ নেন।