সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বুধবার

২১ জানুয়ারি ২০২৬

৬ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১০ই রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি

Logo

ভোটের লড়াই চূড়ান্ত—আজ প্রতীক, কাল প্রচার

চট্টগ্রাম জার্নাল ডেস্ক: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে বড় পরিবর্তন এসেছে প্রতিদ্বন্দ্বিতার চিত্রে। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) শেষ দিনে সারা দেশে ২৯৮টি আসনে মোট ৩০৫ জন প্রার্থী সরে দাঁড়ানোর পর ভোটের মাঠে দলীয় ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে চূড়ান্তভাবে দাঁড়িয়েছেন ১ হাজার ৯৬৭ জন প্রার্থী। বাকি দুইটি আসনের প্রার্থী চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া এখনো চলছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে এবং পরদিন বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হবে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচার। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য এই নির্বাচনে অর্ধশতাধিক রাজনৈতিক দল অংশ নিচ্ছে। অধিকাংশই দলীয় প্রার্থী হলেও শতাধিক স্বতন্ত্র প্রার্থীও ভোটের লড়াইয়ে রয়েছেন।

ইসি জানিয়েছে, নির্বাচনী আচরণবিধি প্রতিপালনে তারা কঠোর থাকবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং ভোটারদের কেন্দ্রমুখী করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে রিটার্নিং অফিসারদের নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এবারের নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিনে ৩০০ আসনে ২ হাজার ৫৮৫টি মনোনয়ন জমা পড়ে। যাচাই-বাছাইয়ে ৭২৬টি মনোনয়ন বাতিল হওয়ার পর প্রাথমিকভাবে বৈধ প্রার্থী দাঁড়িয়েছিলেন ১ হাজার ৮৫৮ জন। পরে আপিল প্রক্রিয়ায় ৪৩১ জন প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ায় প্রত্যাহারের আগে মোট বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়ায় ২ হাজার ২৮৯ জনে। সেখান থেকে ৩০৫ জন সরে দাঁড়ানোর পর বর্তমান প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সংখ্যা নির্ধারিত হয়েছে ১ হাজার ৯৬৭ জন।

এর মধ্যে পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনে আদালতের নির্দেশনায় নতুন তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। ওই দুই আসনে ভোটের দিন অপরিবর্তিত রেখে মনোনয়ন ও বাছাই কার্যক্রম আলাদাভাবে সম্পন্ন করা হচ্ছে, ফলে আগের তালিকা থেকে কয়েকজন প্রার্থী বাদ পড়বেন।

প্রচার শুরুর আগেই আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ ওঠায় জামায়াত, খেলাফত মজলিস, ইসলামী আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক পার্টিকে সতর্ক করেছে নির্বাচন কমিশন। ইসি সচিব আখতার আহমেদ জানান, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী চূড়ান্ত হওয়ার পর সবাইকে সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে কমিশন সক্রিয় থাকবে এবং আগাম প্রচারসহ যেকোনো অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রতীক বরাদ্দের পরপরই প্রচার শুরু হলে ভোটের মূল আমেজ তৈরি হবে। কমিশনের সাম্প্রতিক শোকজ ও সতর্কবার্তাকে মাঠ সমান রাখার প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবেও দেখছেন তারা।