রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বৃহস্পতিবার

৩০ এপ্রিল ২০২৬

৫ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৯ই রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি

Logo

চট্টগ্রামে ডিবি ও থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে অস্ত্রসহ ৪ সন্ত্রাসী গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম মহানগরীতে পৃথক দুটি অভিযানে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি ও দেশীয় অস্ত্রসহ চারজন সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) রাতভর মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) উত্তর বিভাগ ও বায়েজিদ বোস্তামী থানা পুলিশ এসব অভিযান পরিচালনা করে।

প্রথম অভিযানে ডিবি (উত্তর) বিভাগের একটি আভিযানিক দল বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন ড্রিমল্যান্ড আবাসিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. হাসান (২৮) নামে এক সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করে। এ সময় তার কাছ থেকে একটি চাপাতি উদ্ধার করা হয়। পরে তার স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে হাটহাজারীর খন্দকিয়া রাজখান পাড়া এলাকায় তার বাসায় অভিযান চালিয়ে ২টি দেশীয় শটগান, একটি একনলা বন্দুক, ২০টি তাজা কার্তুজ, একটি শটগানের ব্যারেল, ৩টি রিকয়েলিং স্প্রিং এবং আরও ৩টি চাপাতি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃত হাসান দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ অস্ত্র ব্যবহার করে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল। তার বিরুদ্ধে বায়েজিদ বোস্তামী থানায় চুরি, মারামারি ও হত্যাচেষ্টাসহ চারটি মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে নতুন মামলা দায়ের করা হয়েছে।

অন্যদিকে, একই দিনে বায়েজিদ বোস্তামী থানা পুলিশের আরেকটি অভিযানে তিনজন অস্ত্র ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। তারা হলেন—নুর উদ্দীন সোহেল (৩০), তাপস পালিত ওরফে শিমুল (৫১) এবং দীপক কান্তি দে (৫৮)।

পুলিশ জানায়, লিংক রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রথমে সোহেলকে গ্রেফতার করা হয়। তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি খালি ম্যাগাজিন, ১৮টি পিস্তলের গুলি এবং ২টি চায়না রাইফেলের গুলি উদ্ধার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কোতোয়ালী ও বায়েজিদ এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাপস পালিত ও দীপক কান্তি দেকে গ্রেফতার করা হয়।

তাপস পালিতের কাছ থেকে আরও একটি বিদেশি পিস্তল ও খালি ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়। দীপক কান্তি দের কাছ থেকে ১০টি পিস্তলের গুলি জব্দ করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, গ্রেফতারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ ক্রয়-বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।