মঙ্গলবার
২৫ নভেম্বর ২০২৫
২০শে কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি


টাঙ্গাইলের মধুপুর ফাটলরেখায় ৬ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্প হলে ঢাকা শহরের ৪০ শতাংশ ভবন ধসে মারা যেতে পারে দুই লাখের বেশি মানুষ। নিজেদের এক সমীক্ষার বরাত দিয়ে এ আশঙ্কা প্রকাশ করেছে খোদ রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)।
অনলাইন ডেস্ক : সোমবার (২৪ নভেম্বর) রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) ভবনে ‘ভূমিকম্পের ঝুঁকি হ্রাসে প্রস্তুতি ও করণীয়’ শীর্ষক সেমিনার ও মতবিনিময় সভায় রাজউকের পক্ষ থেকে সমীক্ষার তথ্য উপস্থাপন করা হয়।
ঢাকায় গত শুক্র ও শনিবার চার দফা ভূমিকম্পের পর সোমবার দুপুরে এ সেমিনার আয়োজন করে রাজউক। যদিও রাজধানীর ভবনগুলো ইমারত নির্মাণ বিধিমালা অনুযায়ী তৈরি নিশ্চিত এবং নগর পরিকল্পিত করার দায়িত্ব এ সংস্থাটিরই।
অনুষ্ঠানে সরকারে দুজন উপদেষ্টা, রাজউকের চেয়ারম্যান, জরুরিসেবা দেওয়া সংস্থার প্রতিনিধি, পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধিসহ ভূমিকম্প ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান দ্রুত সময়ের মধ্যে রাজধানীর ভবনগুলোর ঝুঁকি মূল্যায়নের কাজ শুরু করার আহ্বান জানান। এ ক্ষেত্রে তৃতীয় পক্ষকে যুক্ত করার তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, অপেক্ষা করার কোনো সুযোগ নেই।
রাজউক এবং সিটি করপোরেশনকে প্রয়োজনে কঠোর হতে হবে উল্লেখ করে পরিবেশ উপদেষ্টা আরও বলেন, যেখানে ভাঙতেই হবে, সেখানে যেন আর কোনো রকম নমনীয়তা না দেখানো হয়, সেটা খুবই জরুরি। প্রয়োজনে রাজউককে বিশেষ ক্ষমতা দেওয়ার কথাও বলেন তিনি।
সেমিনারে শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান বলেন, রাজউকের ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য খুব তাড়াতাড়ি ‘টাউন ইম্প্রুভমেন্ট অ্যাক্ট’র সংশোধন হচ্ছে।