ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগার থেকে জামিন পাওয়া এক আসামির নাম-ঠিকানা ব্যবহার করে কৌশলে পালিয়ে গেছেন হৃদয় (২৮) নামে হত্যা মামলার আরেক আসামি।
চট্টগ্রাম কারাগারে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত কয়েদির মৃত্যু
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে এ ঘটনা ঘটলেও শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বিষয়টি জানাজানি হয়। এই ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে ছয়জন কারারক্ষীকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। পাশাপাশি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
জেল পালানো হৃদয় জেলার কসবা উপজেলার নিমবাড়ি এলাকার মুজিবুর মিয়ার ছেলে।
কারাগার সূত্রে জানা গেছে, কসবা থানার একটি হত্যা মামলায় অন্তর্বর্তীকালীন হাজতের পরোয়ানা মূলে গত বছরের ৭ ডিসেম্বর জেলা কারাগারে যান হৃদয়। পরবর্তীতে গত ২৯ জানুয়ারি দুপুরে জামিনে কারামুক্ত নবীনগর থানার একটি মামলার আসামি দিদার হোসেনের নাম-ঠিকানা ব্যবহার করে জামিনপ্রাপ্ত অন্য বন্দিদের মুক্তি দেওয়ার সময় কৌশলে পালিয়ে যান হৃদয়। এ ঘটনায় এরই মধ্যে কারাগারের দায়ী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শোকজ করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম বিভাগের কারা উপমহাপরিদর্শক মো. ছগির মিয়া বলেন, অন্য আসামির জামিনের কাগজ দেখিয়ে হৃদয় নামে এক আসামি কারাগার থেকে কৌশলে পালিয়ে গেছেন। এ ঘটনায় সদর থানায় মামলা হয়েছে। দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে ছয়জন কারারক্ষীকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।

