শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

ফ্যামিলি কার্ডে ত্রুটি সামান্য, প্রকল্প সফল: অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ প্রকল্পে মাত্র ১ দশমিক ২ শতাংশ ত্রুটি হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে একটি পাইলট প্রকল্পে এ ধরনের ত্রুটি অত্যন্ত নগণ্য বলেও দাবি করেছেন তিনি। একই সঙ্গে প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন অর্থমন্ত্রী।

- Advertisement -

রোববার (৩০ আগস্ট) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে আয়োজিত ‘বন্যা-পরবর্তী পুনরুদ্ধার ও পুনর্বাসন সহায়তা’ প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘কোনো রাজনৈতিক বিবেচনায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়নি, ভবিষ্যতেও করা হবে না।’ ফ্যামিলি কার্ডের মতো বিভিন্ন ব্যবস্থার মাধ্যমে দেশে একটি দক্ষ ডেলিভারি সিস্টেম গড়ে উঠছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, এ ধরনের ব্যবস্থা সরকারের অপচয় ও দুর্নীতি বন্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বিশেষ করে সাধারণ মানুষের কাছে সরকারি সহায়তা সঠিকভাবে পৌঁছে দিতে কার্যকর ডেলিভারি ব্যবস্থা প্রয়োজন।

বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসনে ব্র্যাকসহ বিভিন্ন সংস্থার অংশগ্রহণের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকারের সঙ্গে বেসরকারি খাত ও এনজিওগুলোর সম্মিলিত অংশীদারত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকার এ ধরনের অংশীদারত্বের ধারা অব্যাহত রাখতে চায়।

তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের সঠিক পুনর্বাসন নিশ্চিত করা না গেলে প্রকৃত অর্থে তাদের সহায়তা দেওয়া সম্ভব নয়। যেকোনো দুর্যোগ মোকাবিলায় সঠিক পদ্ধতি ও দক্ষতার সঙ্গে ত্রাণ ও সহায়তা বিতরণ নিশ্চিত করতে হবে।

দেশে ত্রাণ ও সহায়তা বিতরণের ক্ষেত্রে দুর্নীতি, অপচয় ও দুর্বল ব্যবস্থাপনার কারণে অতীতে অনেক ক্ষতি হয়েছে উল্লেখ করে আমির খসরু বলেন, এ কারণে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমে সরকার, বেসরকারি খাত ও এনজিওগুলোর মধ্যে অংশীদারত্ব গড়ে তোলা হচ্ছে।

তার ভাষ্য, সরকারের একার পক্ষে সবকিছু সঠিকভাবে ও দক্ষতার সঙ্গে বিতরণ করা কঠিন। তবে ডেলিভারি ব্যবস্থায় বেসরকারি খাত ও এনজিওগুলোকে সম্পৃক্ত করা হলে কাজ আরও দক্ষতার সঙ্গে সম্পন্ন হওয়ার পাশাপাশি অপচয় ও দুর্নীতিও কমানো সম্ভব।

বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসন কার্যক্রমে এখন পর্যন্ত কোনো দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া যায়নি দাবি করে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘পত্র-পত্রিকায় বা কোথাও আমি এমন কোনো অভিযোগও দেখিনি।’

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মো. জাহিদুল ইসলাম মিঞা, চট্টগ্রাম চেম্বারের সভাপতি আমিরুল হক চৌধুরী, সিডিএ চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ

এই বিভাগের আরও