বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

বাহিনীকে শক্তিশালী করতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, সশস্ত্র বাহিনী কোনো ব্যক্তি, দল বা পরিবারের সম্পদ নয়—এটি দেশের সম্পদ।

- Advertisement -

রোববার (১২ এপ্রিল) বেলা সোয়া ১১টার দিকে ঢাকা সেনানিবাস-এ সশস্ত্র বাহিনীর দরবারে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের পেশাদারিত্ব বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোনো অবস্থাতেই পেশাদারিত্বে আপস করা যাবে না। সরকার সশস্ত্র বাহিনীকে আরও শক্তিশালী ও আধুনিক করতে কাজ করে যাচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, ২০২৪ সালে দেশের স্বাধীনতা ও জনগণের নিরাপত্তা রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা জনগণকে আশান্বিত করেছে। বিশেষ করে ৫ আগস্ট পরবর্তী অস্থির সময় এবং প্রশাসনিক অচলাবস্থায় বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছে।

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ওই ঘটনায় সেনাবাহিনীকে দুর্বল করার চেষ্টা করা হয়েছিল। এ ঘটনায় ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে গত দেড় দশকে সশস্ত্র বাহিনীকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং জানায়, সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশ্যে এই দরবার অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. একেএম শামছুল ইসলাম, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

দরবারে প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা, দেশের সার্বিক নিরাপত্তা রক্ষা এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাদের অবদানের প্রশংসা করেন। বিশেষ করে ২০২৪ সালের আগস্ট পরবর্তী সময় থেকে দেশের আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য বাহিনীর ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি।

এছাড়া সশস্ত্র বাহিনীর ভবিষ্যৎ সক্ষমতা বৃদ্ধি, আধুনিকায়ন এবং জাতীয় উন্নয়নে আরও কার্যকর ভূমিকা পালনে সরকারের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী।

শেষে তিনি সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের দল-মতের ঊর্ধ্বে থেকে দেশের সার্বভৌমত্ব ও সংবিধানের মর্যাদা রক্ষা, জনগণের আস্থা বজায় রাখা এবং সততা, শপথ ও ত্যাগের মাধ্যমে দেশপ্রেমে অবিচল থাকার আহ্বান জানান।

দরবারে ঢাকায় অবস্থানরত সামরিক ও অসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সরাসরি উপস্থিত ছিলেন। দেশের বিভিন্ন স্থানে অবস্থানরত সদস্যরা ভিডিও টেলিকনফারেন্সের মাধ্যমে এতে অংশ নেন।

সর্বশেষ

এই বিভাগের আরও