ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সী রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় পড়া শুরু হয়েছে। রোববার (৭ জুন) সকাল ১১টায় ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন রায় পাঠ শুরু করেন।
আলোচিত এ মামলার রায়কে দেশের বিচারিক ইতিহাসে দ্রুততম সময়ের অন্যতম নিষ্পত্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে পৌঁছাতে সময় লেগেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবস।
রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড প্রত্যাশা করে বলেন, “আমরা ন্যায়বিচার চাই। আদালত সর্বোচ্চ সাজা দেবেন বলে আশা করছি।”
মামলার দুই আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আদালতে হাজির করা হয়েছে। রায়কে কেন্দ্র করে আদালত এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
গত ১৯ মে পল্লবীর একটি বাসা থেকে রামিসার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর স্বপ্না আক্তারকে আটক এবং পরে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তদন্ত শেষে মাত্র পাঁচ দিনের মাথায় আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়।
রাষ্ট্রপক্ষ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের আবেদন জানায়। অন্যদিকে আসামিপক্ষ লঘুদণ্ড প্রার্থনা করে।

