টানা ভারী বর্ষণ ও জলাবদ্ধতায় দুর্ভোগে পড়া চট্টগ্রাম মহানগরের বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)।
পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলীর নির্দেশনায় মহানগরের বিভিন্ন এলাকায় মোট ৭০০টি পরিবারের মধ্যে এ সহায়তা দেওয়া হয়।
সিএমপির তথ্য অনুযায়ী, রোববার (১২ জুলাই) রাত থেকে সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুর পর্যন্ত মহানগরের কয়েকটি আশ্রয়কেন্দ্র ও জলাবদ্ধতাকবলিত এলাকায় পর্যায়ক্রমে ত্রাণ বিতরণ করা হয়।
রোববার রাত ৮টা ১৫ মিনিটে আকবরশাহ থানার ফিরোজশাহ কলোনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নেওয়া ৯৫টি পরিবারের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপ-পুলিশ কমিশনার (পশ্চিম) মো. আলমগীর হোসেন এবং আকবরশাহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুজ্জামান।
একই দিন রাত ৮টায় খুলশী থানার ডা. শহীদ মকবুল আহমদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্রে ১৮৪টি পরিবারের হাতে ত্রাণ তুলে দেন অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) সোহেল পারভেজ ও খুলশী থানার ওসি মোজাম্মেল হক।
রাত ৭টা ৪৫ মিনিটে পাঁচলাইশ থানার হোসেন আহম্মদ চৌধুরী সিটি কর্পোরেশন স্কুল অ্যান্ড কলেজ আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রিত আটটি পরিবারকেও ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হয়।
সোমবার দুপুর ১২টায় বায়েজিদ বোস্তামী থানার হাজিপাড়া আব্দুল মোনায়েম উচ্চবিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা ১৩টি পরিবারের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করা হয়।
সেখানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) সোহেল পারভেজ এবং বায়েজিদ বোস্তামী থানার ওসি মো. আব্দুল করিম।
এদিন দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে চান্দগাঁও থানার শমসেরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উত্তর মোহরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কালা মিয়া পুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আশ্রয় নেওয়া ২০০টি পরিবারের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করা হয়।
কর্মসূচিতে অংশ নেন উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মো. হাসান মোস্তফা স্বপন, পাঁচলাইশ জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার বিধান আবিদ এবং চান্দগাঁও থানার ওসি মো. জসিম উদ্দিন।
এ ছাড়া সোমবার দুপুরে ইপিজেড থানার বিভিন্ন এলাকায় দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত আরও ২০০টি পরিবারের মধ্যেও ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়।
সিএমপি জানিয়েছে, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পরিস্থিতি অনুযায়ী অব্যাহত থাকবে।

