শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নে প্রয়োজন অতিরিক্ত ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা

চট্টগ্রাম জার্নাল ডেস্ক:

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বহুল প্রতীক্ষিত প্রস্তাবিত নতুন পে-স্কেলের খসড়া আজ সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেলে মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হতে পারে।

- Advertisement -

অনুমোদিত হলে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকেই নতুন বেতন কাঠামোর মূল বেতন কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে এই অতিরিক্ত অর্থ একবারে না দিয়ে ধাপে ধাপে বা ভেঙে ভেঙে দেওয়া হবে।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আজ বিকেল সাড়ে ৫টায় প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর এক বৈঠকেও নতুন পে-স্কেলের বিষয় নিয়ে আলোচনার কথা রয়েছে। মন্ত্রিসভার অনুমোদন মিললে পরবর্তী এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে প্রজ্ঞাপন জারি করা হতে পারে।

নবম জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশ পর্যালোচনায় গঠিত মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি’র নেতৃত্বাধীন ১০ সদস্যের সচিব কমিটি এই খসড়া চূড়ান্ত করে।

বেতন কমিশন ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বেতন বাড়ানোর সুপারিশ করলেও, সচিব কমিটি সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধির সুপারিশ রেখেছে।

মূল প্রস্তাবনায় চলতি ১ জুলাই থেকে মূল বেতন এবং আগামী বছরের ১ জুলাই থেকে ভাতা চালুর কথা থাকলেও, চূড়ান্ত খসড়ায় মূল বেতন ১ জুলাই থেকেই ভেঙে ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে ২৩ সদস্যের নবম জাতীয় বেতন কমিশন চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছিল।

এতে বিদ্যমান ২০টি গ্রেড বহাল রেখে সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮,২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০,০০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ মূল বেতন ৭৮,০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১,৬০,০০০ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়।

বর্তমানে ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারী ও ৯ লাখ পেনশনভোগীর পেছনে বছরে ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হলেও নতুন পে-স্কেল পুরোপুরি বাস্তবায়নে অতিরিক্ত ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন হবে।

উল্লেখ্য, গত ১১ জুন জাতীয় সংসদে বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, গত ১১ বছর ধরে একই বেতন কাঠামো বহাল থাকায় এবং মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পাওয়ায় ১ জুলাই থেকে ধাপে ধাপে এই নতুন বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সর্বশেষ

এই বিভাগের আরও