শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

দুর্নীতি বন্ধ করে জনগণের কল্যাণে কাজ করছে সরকার: এলজিআরডি মন্ত্রী

চট্টগ্রাম জার্নাল ডেস্ক:

গত ১৭ বছর ধরে চলা সব ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতি বন্ধ করে বর্তমান সরকার জনগণের সার্বিক কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।

- Advertisement -

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সচিবালয়ে ইউনিসেফ, বিশ্বব্যাংক ও ওয়াটার এইডের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, অতীতে দেশে আসা বিদেশি সহায়তার যথাযথ ও কার্যকর ব্যবহার হয়নি। বর্তমানে উন্নত ও ধনী দেশগুলো বৈশ্বিক আর্থিক সহায়তা কমিয়ে দেওয়ায় সীমিত সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা জরুরি। এ জন্য দুর্নীতি নির্মূল করে দেশের মানুষের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।

বৈঠকে সারা দেশের মানুষের জন্য নিরাপদ ও সুপেয় পানির টেকসই ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়টি গুরুত্ব পায়। মন্ত্রী বলেন, পানি জীবনধারণের জন্য অপরিহার্য হলেও দূষিত ও জীবাণুযুক্ত পানি মানুষের মৃত্যুর কারণ হতে পারে। তাই সবার জন্য নিরাপদ পানির সরবরাহ নিশ্চিত করা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব ও চ্যালেঞ্জ।

তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট নানা প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। উজানে প্রতিবেশী দেশ পানি আটকে রাখা বা প্রত্যাহার করায় বাংলাদেশের নদ-নদীতে পানির প্রবাহ কমে যাচ্ছে। এর ফলে উত্তরাঞ্চলে মরুকরণের ঝুঁকি বাড়ছে এবং দক্ষিণাঞ্চলেও এর বিরূপ প্রভাব পড়ছে।

মন্ত্রীর ভাষ্য, নদীতে মিঠা পানির স্বাভাবিক প্রবাহ কমে যাওয়ায় বঙ্গোপসাগরের লোনা পানি উজানের দিকে প্রবেশ করছে। এতে দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় সুপেয় পানির সংকট ও লবণাক্ততা বেড়েছে।

দেশের ১৮ কোটি মানুষের কাছে সুপেয় পানি পৌঁছে দিতে উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাগুলোর সঙ্গে সরকার নিবিড়ভাবে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

মন্ত্রী জানান, এ লক্ষ্যে জাতিসংঘ, বিশ্বব্যাংক, ইউনিসেফ ও ওয়াটার এইডের সঙ্গে সমন্বিতভাবে প্রায় ২ দশমিক ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি বৃহৎ প্রকল্প বাস্তবায়ন ও অর্থায়ন নিয়ে আলোচনা চলছে।

বৈঠকে অংশ নেওয়া আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর শীর্ষ প্রতিনিধিরা একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের ওপর গুরুত্ব দেন। পরে ইউনিসেফের প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের সব মানুষের জন্য নিরাপদ পানির অধিকার নিশ্চিত করতে কারিগরি ও আর্থিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেন।

সর্বশেষ

এই বিভাগের আরও