চট্টগ্রামের পটিয়া থানা এলাকায় পৃথক দুটি অভিযান চালিয়ে ১৭ হাজার ৮৩০ পিস ইয়াবাসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৭। জব্দ করা হয়েছে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি মিনি পিকআপও।
গত ৬ ও ৮ আগস্ট চালানো এই দুই অভিযানে উদ্ধার ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ৫৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
প্রথম অভিযান: সিএনজিতে যাত্রীবেশে মাদক পাচার
র্যাব সূত্রে জানা যায়, কক্সবাজার থেকে যাত্রীবেশে বড় একটি ইয়াবার চালান সাতকানিয়ার কেরানিহাট হয়ে সিএনজি অটোরিকশায় চট্টগ্রামের দিকে আসছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ৬ আগস্ট বিকেলে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পটিয়ার কচুয়াই ইউনিয়ন এলাকায় অস্থায়ী চেকপোস্ট বসায় র্যাবের একটি দল।
চেকপোস্টে একটি সিএনজি থামানোর সংকেত দিলে আরোহীরা পালানোর চেষ্টা করেন। পরে টেকনাফের বাসিন্দা হামিদ হোছেন (৫৬), তাঁর মেয়ে রাশেদা আক্তার (২৮), চন্দনাইশের মুন্নী আক্তার (৪৫) ও টেকনাফের মরিয়ম খাতুনকে (৩২) আটক করা হয়। তাঁদের ভ্যানিটি ব্যাগ তল্লাশি করে স্কচটেপে মোড়ানো অবস্থায় ৭ হাজার ৮৩০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়, যার বাজারমূল্য প্রায় ২৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
দ্বিতীয় অভিযান: পিকআপের ভেতরে লুকানো ইয়াবা
দ্বিতীয় অভিযানে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, একটি মিনি পিকআপে করে কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামে ইয়াবা পাচার হচ্ছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে ৮ আগস্ট রাত পৌনে তিনটার দিকে পটিয়ার হযরত শাহচান্দ আউলিয়া (রহ.) দরগাহ গেট এলাকায় চেকপোস্ট বসায় র্যাব।
রাত ৩টার দিকে সন্দেহভাজন পিকআপটি চেকপোস্টে এলে গাড়ির চালক কক্সবাজারের চকরিয়ার বাসিন্দা মোহাম্মদ জমির হোসেনকে (৩১) গ্রেপ্তার করা হয়।
তল্লাশিতে চালকের আসনের নিচে বিশেষভাবে লুকানো ছয়টি বান্ডেলে মোট ১০ হাজার পিস ইয়াবা পাওয়া যায়, যার মূল্য আনুমানিক ৩০ লাখ টাকা। জব্দ করা হয় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত পিকআপটিও।
র্যাব জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের এবং জব্দ মালামাল পরবর্তী আইনি ব্যবস্থার জন্য সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

