বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন জানিয়েছেন, চলতি সপ্তাহের মধ্যে পেঁয়াজের দাম কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে নেমে না এলে আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
রোববার (৯ নভেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
উপদেষ্টা বলেন, পেঁয়াজের বাম্পার ফলন হয়েছে এবং কৃষি মন্ত্রণালয় সংরক্ষণের সুবিধার্থে ১০ হাজার হাই ফ্লো মেশিন বিতরণ করেছে। এর ফলে পেঁয়াজের সংরক্ষণ ব্যবস্থা উন্নত হয়েছে। তবে গত দুই সপ্তাহে দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকায় বাজারে তীক্ষ্ণ নজর রাখছেন সংশ্লিষ্টরা।
তিনি আরও জানান, বর্তমানে ২ হাজার ৮০০টির মতো পেঁয়াজ আমদানি আবেদন রয়েছে। চলতি সপ্তাহের মধ্যে যদি দাম স্বাভাবিক না হয়, তবে আমদানির অনুমোদন দেওয়া হবে। দাম স্বাভাবিক থাকলে আমদানির অনুমতি দেওয়া হবে না।
উপদেষ্টা বলেন, দাম বৃদ্ধির পেছনে মৌসুমের শেষ সময়, শুকিয়ে পেঁয়াজের ওজন কমে যাওয়া এবং সংরক্ষণকারীদের অতিরিক্ত ব্যয়সহ একাধিক কারণ রয়েছে। সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দাম বৃদ্ধির কোনো প্রমাণ তার কাছে নেই।
তিনি আরও বলেন, সরকার বাজার পরিস্থিতি, কৃষকের স্বার্থ ও ভোক্তার ক্ষতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে। বশিরউদ্দীন জানিয়েছেন, বর্তমানে কৃষকের কাছে পেঁয়াজ নেই এবং বাজারে যে অতিরিক্ত মূল্য দেখা যাচ্ছে, তা কৃষকের পকেটে যায়নি।
বাণিজ্য সচিব জানান, বর্তমানে সাড়ে তিন লাখ টন পেঁয়াজ মজুত আছে। চলতি মাসে আরও ৮৫-৮৭ হাজার মেট্রিক টন এবং আগামী মাসে আড়াই লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ বাজারে আসবে। তিনি নিশ্চিত করেছেন, দেশের পেঁয়াজের কোনো সংকট নেই।

