রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

তারেক রহমানের শপথে মোদি আসছেন কি না—অনিশ্চয়তার কারণ কী

চট্টগ্রাম জার্নাল ডেস্ক

বহুল প্রতীক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশের নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে যাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হলেও এতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি-র উপস্থিতি নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

- Advertisement -

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে মোদিকে ঢাকার পক্ষ থেকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে ভারতের কাছে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণপত্র পৌঁছায়। একই সঙ্গে আঞ্চলিক বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধানদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।

তবে ১৭ ফেব্রুয়ারি ভারতের মুম্বাইয়ে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ-এর সঙ্গে মোদির পূর্বনির্ধারিত দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সূচি থাকায় ঢাকায় তার আসা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। জানা গেছে, এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে অংশ নিতে ম্যাক্রোঁর ভারত সফরের সূচনা হবে মুম্বাই থেকেই।

কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, মোদি উপস্থিত না থাকতে পারলেও ভারতের পক্ষ থেকে শপথ অনুষ্ঠানে একজন জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি অংশ নিতে পারেন। এ ক্ষেত্রে উপ-রাষ্ট্রপতি বা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল ঢাকায় আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস-এর উদ্যোগে বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করে শপথ অনুষ্ঠানে মোট ১৩ দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

আমন্ত্রিত দেশের তালিকায় রয়েছে চীন, সৌদি আরব, তুরস্ক, ভারত, পাকিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালদ্বীপ ও ভুটান।

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর নরেন্দ্র মোদি ফোন করে তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান। সে সময় দুই দেশের সম্পর্ক জোরদার এবং অভিন্ন উন্নয়ন লক্ষ্য এগিয়ে নিতে একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহের কথাও জানান তিনি।

শপথ অনুষ্ঠানে মোদির উপস্থিতি চূড়ান্ত না হলেও, কূটনৈতিক মহলের মতে—এটি দুই দেশের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ গতিপথে একটি তাৎপর্যপূর্ণ ইঙ্গিত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

সর্বশেষ

এই বিভাগের আরও